
সাব্বির আলম বাবু, বিশেষ প্রতিনিধি
বরিশাল সিটি করপোরেশনের যাত্রা শুরু হয় ২০০২ সালে। ৫৮ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এ নগরে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের বসবাস। আবাসিক ও বাণিজ্যিক মিলিয়ে ভবন রয়েছে প্রায় ৬৩ হাজার।
বরিশাল সিটি করপোরেশনের যাত্রা শুরু হয় ২০০২ সালে। ৫৮ বর্গ কিলোমিটার আয়তনের এ নগরে প্রায় পাঁচ লাখ মানুষের বসবাস। আবাসিক ও বাণিজ্যিক মিলিয়ে ভবন রয়েছে প্রায় ৬৩ হাজার। তবে অধিকাংশ ভবনেই নেই আধুনিক অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা। এ তালিকায় রয়েছে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালও। গত বছর হাসপাতালটির ডায়ালাইসিস ইউনিটের ভাণ্ডার কক্ষে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে হতাহতের ঘটনা না ঘটলেও রোগীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।
মায়ের অসুস্থতার কারণে বেশ কয়েক দিন ধরে হাসপাতালে অবস্থান করছেন সায়েম। তিনি কোথাও অগ্নিনির্বাপক যন্ত্র দেখতে পাননি।
অবশ্য সীমাবদ্ধতার কথা স্বীকার করে শিগগিরই অগ্নিনিরাপত্তা ব্যবস্থাগ্রহণে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়ার কথা জানিয়েছেন হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল একেএম মশিউল মুনীর।
৫ ডিসেম্বর বিসিক শিল্প নগরীর খান সন্স টেক্সটাইল মিলের একটি সুতা তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।
কারখানার শ্রমিকরা জানান, প্রতিষ্ঠানটির অগ্নিনির্বাপক যন্ত্রটি দীর্ঘদিন ধরে অচল রয়েছে। এজন্য আগুন নেভাতে প্রথম দিকে বেগ পেতে হয়। পরে ফায়ার সার্ভিসের দুটি ইউনিট আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।
শহরের আদালতপাড়া, জেলা প্রশাসকের কার্যালয়, ভেনাস শপিং মল, মোহসীন মার্কেট ও সিটি মার্কেটে দেখা যায়নি কার্যকর অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা। কোথাও শুধু নামমাত্র যন্ত্র রয়েছে।
সার্বিক বিষয়ে বরিশাল ফায়ার সার্ভিসের সহকারী পরিচালক মো. ফারুক হোসেন সিকদার বলেন, ‘পাঁচ লাখ মানুষের বসবাস এ শহরে। তবে অধিকাংশ ভবনে নেই আধুনিক অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা।





















