স্টাফ রিপোর্টার'
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার কসবা থানার এক উপ-পরিদর্শকের বিরুদ্ধে দুর্নীতি, ক্ষমতার অপব্যবহার ও অবৈধ অর্থ দাবির গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযুক্ত পুলিশ কর্মকর্তা হলেন কসবা থানার এসআই মনির হোসেন, যিনি বর্তমানে কসবা থানায় দায়িত্ব পালন করছেন।
ভুক্তভোগী নারী মাকছুদা আক্তার অভিযোগ করে জানান, তার জা আকলিমা আক্তার বাদী হয়ে মামলা নং( সি আর-৮৩৬) ২০২৫ সালের ১৫ অক্টোবর ব্রাহ্মণবাড়িয়া সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি তদন্তের দায়িত্ব পায় কসবা থানা এবং তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োজিত হন এসআই মনির হোসেন।
অভিযোগে বলা হয়, তদন্ত চলাকালে এসআই মনির হোসেন মাকছুদা আক্তারের কাছ থেকে ২ লক্ষ টাকা ঘুষ দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে তিনি ভুক্তভোগী ও তার প্রবাসী স্বামীর বিরুদ্ধে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত তদন্ত প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করেন। প্রতিবেদনে দণ্ডবিধির একাধিক ধারা ৪৪৭/৪৪৮/৪৬৭/৩৮৫/৩৮৬/৫০৬/৩৪সহ গুরুতর অপরাধ দেখানো হয়, যা সম্পূর্ণ বানোয়াট বলে দাবি করেন ভুক্তভোগী।
আরও অভিযোগ করা হয়, এসআই মনির হোসেন বাদী আকলিমা আক্তারের নিকট আত্মীয় হওয়ায় তিনি পক্ষপাতমূলক আচরণ করেছেন এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুক্তভোগী পরিবারকে হয়রানি করছেন।
এমনকি আরও মামলা দিয়ে ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগও উঠেছে তার বিরুদ্ধে।
তিন সন্তানের জননী মাকছুদা আক্তার বলেন, “আমার স্বামী একজন প্রবাসী ও রেমিটেন্স যোদ্ধা হওয়া সত্ত্বেও আমাদের বিরুদ্ধে অন্যায়ভাবে মামলা দিয়ে মানবাধিকার লঙ্ঘন করা হচ্ছে। আমি ন্যায়বিচার চাই।”
এ বিষয়ে তিনি জেলা প্রশাসক ব্রাহ্মণবাড়িয়া, পুলিশ সুপার ব্রাহ্মণবাড়িয়া, সহকারী পুলিশ সুপার (কসবা-আখাউড়া সার্কেল), কসবা উপজেলা নির্বাহী অফিসার, কসবা থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন এবং তদন্ত সাপেক্ষে অভিযুক্ত এসআই মনির হোসেনকে অপসারণ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।
এখন স্থানীয়দের প্রশ্ন—অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রশাসন আদৌ কি ব্যবস্থা নেবে?
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ: চেয়ারম্যান : গোলাম কিবরিয়া, ব্যবস্থাপনাপরিচালক : ফয়সাল শিকদার, বার্তা সম্পাদক : ইয়াছমিন আক্তার, ঠিকানা : চৌধুরী সুপার মার্কেট, এস এ গনি রোড, বারেশ্বর চৌমুনি, বুড়িচং, কুমিল্লা।
মোবাইল : +৮৮ ০১৮০৬৬০৮৫৩৩, +৮৮ ০১৯৪৮৭২৭৫৬১ , +৮৮ ০১৬৪১৬৯০৮১৬
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত