
সেই ঘটনায় বাহিনীর সদস্যদের ওপর নির্মম নির্যাতন করা হয়েছিল—যা পুরো জেলার মানুষের জন্য লজ্জাজনক ও বেদনাদায়ক।
আজও কুমিল্লা ধর্মপুর রেলগেট সংলগ্ন এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। শাহ আলম মেম্বার নামের এক মাদক ব্যবসায়ীর বাড়িতে নাকি কাঁচাবাজারের মতো ভিড় লেগে থাকে—মাদকসেবীদের আনাগোনা যেন থামছেই না। বিষয়টি স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ ও আতঙ্ক সৃষ্টি করছে।
যদি বাহিনীর প্রতি দায়বদ্ধতা ও সম্মান অটুট থাকে, তাহলে অনুরোধ থাকবে—এই বিষয়ে দ্রুত ও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এলাকাবাসী চায়, মাদকের অভিশাপ থেকে ধর্মপুর রেলগেট এলাকাকে মুক্ত করা হোক এবং আইন-শৃঙ্খলা স্বাভাবিক রাখা হোক।



















