প্রতিবেদক: মোঃ টিপু নোয়াখালী দৃশ্য ১: আগুনের ধ্বংসস্তূপের ক্লোজ শট এবং কান্নারত পরিবারের সদস্য]
(ভয়েস ওভার) একটি মুহূর্ত, আর সেই একটি মুহূর্তেই তছনছ হয়ে গেল একটি পরিবারের সাজানো সংসার। আগুনের লেলিহান শিখা কেড়ে নিল বেঁচে থাকার শেষ সম্বলটুকু। নোয়াখালীর চাটখিল উপজেলার সিংবাহুড়া গ্রামের পেশকার বাড়িতে এখন শুধুই হাহাকার। যেখানে গতকালও ছিল হাসিখুশি এক বসতঘর, আজ সেখানে কেবল পড়ে আছে পোড়া টিন আর ছাইয়ের স্তূপ।
[দৃশ্য ২: পুড়ে যাওয়া আসবাবপত্র এবং ক্ষতিগ্রস্ত মালিকের অসহায় চাহনি]
(ভয়েস ওভার) মঙ্গলবার সকাল। প্রতিদিনের মতোই শুরু হয়েছিল দিনটি। কিন্তু হঠাৎই বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত। মুহূর্তের মধ্যেই আগুনের জিহ্বা গ্রাস করে নেয় মোশাররফ ও তার ভাই খোকনের বসতঘরটি। চোখের সামনে নিজের তিলে তিলে গড়া ঘরটি পুড়ে ছাই হতে দেখলেও, আগুনের তীব্রতায় কাছে ঘেঁষার সাধ্য ছিল না কারও।
[দৃশ্য ৩: স্থানীয় মানুষের ভিড় এবং ফায়ার সার্ভিসের কাজ করার পরের দৃশ্য]
(ভয়েস ওভার) স্থানীয়রা আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়েছেন আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে। খবর দেওয়া হয় ফায়ার সার্ভিসকে। কিন্তু তারা ঘটনাস্থলে পৌঁছানোর আগেই আগুনের করাল গ্রাসে ভস্মীভূত হয় ঘরের মূল্যবান স্বর্ণালঙ্কার, আসবাবপত্র এবং নগদ টাকাসহ যাবতীয় মালামাল। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের দাবি, এই অগ্নিকাণ্ডে তাদের প্রায় ২০ লক্ষ টাকার সমপরিমাণ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
সাক্ষাৎকার (বাইট - কোনো একজন প্রতিবেশী বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি): > "সব শেষ হয়ে গেছে ভাই। ফায়ার সার্ভিস আসার আগেই সব পুড়ে ছাই। যদি আর একটু দেরি হতো, তবে পুরো বাড়িটাই শেষ হয়ে যেত।"
[দৃশ্য ৪: প্রতিবেদকের পিটিসি (পিস টু ক্যামেরা) - ধ্বংসস্তূপের সামনে দাঁড়িয়ে]
(প্রতিবেদক - মোঃ টিপু) পরিশেষে, সহায়-সম্বল হারিয়ে মোশাররফ ও খোকনের পরিবার এখন খোলা আকাশের নিচে। আগুনের এই ভয়াবহতা তাদের কেবল গৃহহীন করেনি, ঠেলে দিয়েছে এক অনিশ্চিত ভবিষ্যতের দিকে। সরকারি বা বেসরকারি সহযোগিতা না পেলে হয়তো আর কোনোদিন ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব হবে না এই পরিবারটির।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ: চেয়ারম্যান : গোলাম কিবরিয়া, ব্যবস্থাপনাপরিচালক : ফয়সাল শিকদার, বার্তা সম্পাদক : ইয়াছমিন আক্তার, ঠিকানা : চৌধুরী সুপার মার্কেট, এস এ গনি রোড, বারেশ্বর চৌমুনি, বুড়িচং, কুমিল্লা।
মোবাইল : +৮৮ ০১৮০৬৬০৮৫৩৩, +৮৮ ০১৯৪৮৭২৭৫৬১ , +৮৮ ০১৬৪১৬৯০৮১৬
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত