আন্তর্জাতিক রিপোর্টার:মো: সেলিম রানা
কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলায় সাম্প্রতিক সময়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে উত্তেজনা ও বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এনসিপি নেতা নবাগত হাসনাত আবদুল্লাহ ও বিএনপির প্রভাবশালী নেতা ইঞ্জিনিয়ার মনজুরুল আহসান মুন্সীর মধ্যকার রাজনৈতিক অবস্থান ও বক্তব্যকে কেন্দ্র করে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে স্থানীয় রাজনৈতিক মহল ও সাধারণ জনগণের দাবি।
স্থানীয় সূত্র ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, হাসনাত আবদুল্লাহর সাম্প্রতিক বক্তব্য ও আচরণ দেবিদ্বার উপজেলার রাজনৈতিক পরিবেশকে উত্তপ্ত করে তুলছে। বিএনপির একাধিক নেতা-কর্মীর অভিযোগ, তাঁর বক্তব্যে রাজনৈতিক শালীনতা ও সহনশীলতার অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে, যার ফলে মাঠপর্যায়ে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে বিভ্রান্তি ও অস্বস্তি তৈরি হচ্ছে।
স্থানীয় বিএনপি সমর্থকরা মনে করছেন, হাসনাত আবদুল্লাহ নির্বাচনমুখী রাজনীতির পরিবর্তে সংঘাতমূলক অবস্থান নিচ্ছেন। তাঁদের ভাষ্যমতে, “তিনি নির্বাচন করতে নয়, বরং রাজনৈতিক যুদ্ধের পরিবেশ তৈরি করতেই মাঠে নেমেছেন—এমনটাই তাঁর বক্তব্য ও কর্মকাণ্ডে প্রতীয়মান হচ্ছে।”
দেবিদ্বার উপজেলার সচেতন নাগরিক ও রাজনৈতিক মহলের একটি অংশ অভিযোগ করে বলছেন, পরিকল্পিতভাবে এলাকায় অরাজকতা সৃষ্টি করাই হাসনাত আবদুল্লাহর মূল উদ্দেশ্য হতে পারে। এতে করে শান্তিপূর্ণ রাজনৈতিক চর্চা ব্যাহত হচ্ছে এবং সাধারণ জনগণের মধ্যে উদ্বেগ বাড়ছে।
এ পরিস্থিতিতে বিএনপিকে একটি বৃহৎ ও দায়িত্বশীল রাজনৈতিক দল হিসেবে উল্লেখ করে স্থানীয় পর্যায় থেকে দাবি উঠেছে—দলীয় শৃঙ্খলা ও এলাকার শান্তি বজায় রাখার স্বার্থে হাসনাত আবদুল্লাহর মনোনয়ন বিষয়টি পুনর্বিবেচনা করা হোক। অনেকেই তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবিও তুলেছেন।
এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট রাজনৈতিক দলগুলোর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন দেবিদ্বারবাসী। তারা মনে করছেন, সময়মতো কার্যকর সিদ্ধান্ত না নিলে আসন্ন নির্বাচনী পরিবেশ আরও উত্তপ্ত হয়ে উঠতে পারে।
এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এ বিষয়ে এনসিপি নেতা হাসনাত আবদুল্লাহর পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ: চেয়ারম্যান : গোলাম কিবরিয়া, ব্যবস্থাপনাপরিচালক : ফয়সাল শিকদার, বার্তা সম্পাদক : ইয়াছমিন আক্তার, ঠিকানা : চৌধুরী সুপার মার্কেট, এস এ গনি রোড, বারেশ্বর চৌমুনি, বুড়িচং, কুমিল্লা।
মোবাইল : +৮৮ ০১৮০৬৬০৮৫৩৩, +৮৮ ০১৯৪৮৭২৭৫৬১ , +৮৮ ০১৬৪১৬৯০৮১৬
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত