নিজস্ব প্রতিবেদক সম্প্রতি বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয় ও মসজিদের সন্নিকটে মেলা বা উৎসবের মতো কোলাহলপূর্ণ আয়োজনের চিত্র দেখা যাচ্ছে। যা নিয়ে সাধারণ মুসল্লি ও ধর্মপ্রাণ মানুষের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ। ইসলামের দৃষ্টিতে মসজিদের ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা করা এবং মুসল্লিদের প্রশান্ত মনে ইবাদত করার সুযোগ করে দেওয়া একটি অপরিহার্য কর্তব্য।
মসজিদের সম্মান রক্ষায় ইসলামের নির্দেশনা
ইসলামে মসজিদের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চে। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে:
"নিশ্চয়ই মসজিদসমূহ আল্লাহর জন্য। সুতরাং তোমরা আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে ডেকো না।" (সূরা জিন: ১৮)
রাসূলুল্লাহ (সা.) মসজিদের ভেতর উচ্চবাচ্য করা বা অপ্রয়োজনীয় শোরগোল করতে নিষেধ করেছেন। সেখানে বিনোদনের নামে বাদ্যযন্ত্র বা উচ্চশব্দে উৎসব করা মসজিদের পবিত্রতাকে ক্ষুণ্ণ করে এবং মুসল্লিদের একাগ্রতায় ব্যাঘাত ঘটায়।
সামাজিক সচেতনতা ও নৈতিক দায়িত্ব
বিনোদনের প্রয়োজন থাকলেও তার জন্য উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করা জরুরি। মসজিদের একদম প্রবেশদ্বারে বা সংলগ্ন এলাকায় মেলা বা উৎসবের আয়োজন করলে কয়েকটি সমস্যা দেখা দেয়:
ইবাদতে বিঘ্ন: উচ্চশব্দে মুসল্লিদের নামাজের মনোযোগ নষ্ট হয়।
আচরণের বিচ্যুতি: ধর্মীয় স্থানে উৎসবের আমেজে অনেক সময় বেপর্দা বা অশোভন আচরণ পরিলক্ষিত হয়, যা মসজিদের পরিবেশের সাথে সাংঘর্ষিক।
যাতায়াতে বাধা: মেলা বা ভিড়ের কারণে মুসল্লিদের মসজিদে যাতায়াত করতে কষ্ট হয়।
আমাদের করণীয়
১. কর্তৃপক্ষের সচেতনতা: মেলা বা উৎসবের অনুমতি দেওয়ার সময় স্থানীয় প্রশাসন ও আয়োজকদের লক্ষ্য রাখতে হবে যেন তা কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের গাম্ভীর্য নষ্ট না করে।
২. দূরত্ব বজায় রাখা: বিনোদনমূলক আয়োজন মসজিদের সীমানা থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে হওয়া উচিত।
৩. জনসচেতনতা: সাধারণ মানুষকে মসজিদের আদব ও সম্মান সম্পর্কে সচেতন করা।
বার্তা ও সম্পাদকীয় বিভাগ: চেয়ারম্যান : গোলাম কিবরিয়া, ব্যবস্থাপনাপরিচালক : ফয়সাল শিকদার, বার্তা সম্পাদক : ইয়াছমিন আক্তার, ঠিকানা : চৌধুরী সুপার মার্কেট, এস এ গনি রোড, বারেশ্বর চৌমুনি, বুড়িচং, কুমিল্লা।
মোবাইল : +৮৮ ০১৮০৬৬০৮৫৩৩, +৮৮ ০১৯৪৮৭২৭৫৬১ , +৮৮ ০১৬৪১৬৯০৮১৬
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত