০৭:১৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬

রজায় তালা লাগিয়ে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। স্থানীয় যুবকরা বিষয়টি টের পেয়ে বিদ্যালয়ের ভিতরে গিয়েবালিকা বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ছেলে ও মেয়ে আপত্তিকর অবস্থায়, এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যে সৃষ্টি দেখেন বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে বাইরে থেকে তালা দেওয়া রয়েছে। ঘটনার কিছুক্ষণ পরে বহিরাগত একদল যুবক এসে বিদ্যালয়ের রুমের তালা খুলে দেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিভাবকরা দাবি করছে এমতাবস্থায় তারা কিভাবে

  • প্রকাশের সময় : ০৫:১০:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬
  • 17

তরিকুল মোল্লা, বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাট সদর উপজেলার রাখালগাছি পল্লী উন্নয়ন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় বহিরাগত পারভেজ মল্লিক ওরফে জাহিদ হাসান কে বিদ্যালয়ের রুমের মধ্যে তালাবদ্ধ অবস্থায় স্থানীয়রা দেখতে পেয়েছেন।

রবিবার (১ মার্চ) আনুমানিক দুপুর ১২ টার দিকে স্থানীয়রা বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে ছেলে এবং মেয়েকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান এবং পরে তারা ভিতরে গিয়ে দেখেন রুমটিতে বাইরে থেকে তালা দেওয়া রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাগেরহাট সদর উপজেলার রাখালগাছি ইউনিয়নের দলি রসুলপুর গ্রামের টিপু মল্লিকের ছেলে পারভেজ মল্লিক ওরফে জাহিদ হাসান এবং বড় পাইকপাড়া এলাকার ঝর্ণা বেগমের মেয়ে ঐশী খাতুনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল।

ঘটনার দিন সকালে পল্লী উন্নয়ন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা কোচিং করতে বিদ্যালয় আসেন এবং কোচিং শেষে স্থানীয় পারভেজ মল্লিক ও ওই বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী একটি রুমে একান্তে দু’জনে সময় কাটান এবং বাইরে থেকে তার সহপাঠীরা দ তাদের মেয়েদেরকে বিদ্যালয় পাঠাবে এ বিষয়ে তারা সন্ধিহান রয়েছেন।

এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক’সহ সংশ্লিষ্টরা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি (উপজেলা নির্বাহী অফিসার) কে বিষয়টি অবহিত না করে, প্রভাবশালীদের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। ঘটনাটি ঘটার পর দুইদিন অবহিত হওয়ার পরও ঘটনার সুস্থ বিচার না হওয়ায় বিদ্যালয়ের অভিভাবকরা ঘটনার সুস্থ বিচারের দাবিতে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সারাদিন বিদ্যালয়ে অবস্থান করেন। এ ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

বিদ্যালয়ের অভিভাবক মিজানুর রহমান সুমন বলেন, এমন ঘটনা বিদ্যালয়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে কিন্তু বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা এ বিষয় কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। স্থানীয় শিক্ষক বাবু মল্লিক সব বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে এবং সে বিদ্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করে চলছে। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক কোন পদক্ষেপ নিতে পারছে না।

মাহফুজুর রহমান সেন্টু এ বিষয়ে বলেন, আমি ঘটনার দিন রাত্রে বিষয়টি জানতে পেরে প্রধান শিক্ষকের সাথে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করেছি। তিনি আমাকে জানিয়েছেন আমরা স্থানীয়দের মাধ্যমে সমঝোতা করার চেষ্টা করছি। আমি এলাকাবাসী হিসেবে বলতে চাই এই ধরনের আপত্তিকর ঘটনা যাতে আমাদের বিদ্যালয়ে আর না ঘটে সেই ব্যবস্থা যেন কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করেন।

পল্লী উন্নয়ন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কার্তিক চন্দ্র পাল জানান, আমাদের বিদ্যালয়ে একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, আমরা এটা সমাধান করার জন্য ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি এবং জামায়াতের সভাপতি কে বিষয়টা অবহিত করেছি। এখন পর্যন্ত আমরা কোন সমাধান করতে পারেনি।

এ বিষয়ে বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতিয়া খাতুন বলেন, আমাকে এখন পর্যন্ত বিষয়টা কেউ অবহিত করেনি। আমি এইমাত্র আপনাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। আমি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলে এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।

জনপ্রিয়

চ্যানেলে এইচডির ২৪ সাংবাদিক মনি আক্তারের ওপর বর্বরোচিত হামলা

রজায় তালা লাগিয়ে বিদ্যালয় ত্যাগ করেন। স্থানীয় যুবকরা বিষয়টি টের পেয়ে বিদ্যালয়ের ভিতরে গিয়েবালিকা বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে ছেলে ও মেয়ে আপত্তিকর অবস্থায়, এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যে সৃষ্টি দেখেন বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে বাইরে থেকে তালা দেওয়া রয়েছে। ঘটনার কিছুক্ষণ পরে বহিরাগত একদল যুবক এসে বিদ্যালয়ের রুমের তালা খুলে দেন। এ ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। অভিভাবকরা দাবি করছে এমতাবস্থায় তারা কিভাবে

প্রকাশের সময় : ০৫:১০:৪৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ মার্চ ২০২৬

তরিকুল মোল্লা, বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাট সদর উপজেলার রাখালগাছি পল্লী উন্নয়ন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীর সাথে আপত্তিকর অবস্থায় বহিরাগত পারভেজ মল্লিক ওরফে জাহিদ হাসান কে বিদ্যালয়ের রুমের মধ্যে তালাবদ্ধ অবস্থায় স্থানীয়রা দেখতে পেয়েছেন।

রবিবার (১ মার্চ) আনুমানিক দুপুর ১২ টার দিকে স্থানীয়রা বিদ্যালয়ের একটি শ্রেণিকক্ষে ছেলে এবং মেয়েকে আপত্তিকর অবস্থায় দেখতে পান এবং পরে তারা ভিতরে গিয়ে দেখেন রুমটিতে বাইরে থেকে তালা দেওয়া রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বাগেরহাট সদর উপজেলার রাখালগাছি ইউনিয়নের দলি রসুলপুর গ্রামের টিপু মল্লিকের ছেলে পারভেজ মল্লিক ওরফে জাহিদ হাসান এবং বড় পাইকপাড়া এলাকার ঝর্ণা বেগমের মেয়ে ঐশী খাতুনের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে প্রেমের সম্পর্ক চলে আসছিল।

ঘটনার দিন সকালে পল্লী উন্নয়ন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থীরা কোচিং করতে বিদ্যালয় আসেন এবং কোচিং শেষে স্থানীয় পারভেজ মল্লিক ও ওই বিদ্যালয়ের এসএসসি পরীক্ষার্থী একটি রুমে একান্তে দু’জনে সময় কাটান এবং বাইরে থেকে তার সহপাঠীরা দ তাদের মেয়েদেরকে বিদ্যালয় পাঠাবে এ বিষয়ে তারা সন্ধিহান রয়েছেন।

এ ঘটনায় বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক’সহ সংশ্লিষ্টরা বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি (উপজেলা নির্বাহী অফিসার) কে বিষয়টি অবহিত না করে, প্রভাবশালীদের মাধ্যমে বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। ঘটনাটি ঘটার পর দুইদিন অবহিত হওয়ার পরও ঘটনার সুস্থ বিচার না হওয়ায় বিদ্যালয়ের অভিভাবকরা ঘটনার সুস্থ বিচারের দাবিতে মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সারাদিন বিদ্যালয়ে অবস্থান করেন। এ ঘটনায় অভিভাবকদের মধ্যে ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

বিদ্যালয়ের অভিভাবক মিজানুর রহমান সুমন বলেন, এমন ঘটনা বিদ্যালয়ে প্রতিনিয়ত ঘটছে কিন্তু বিদ্যালয়ের সংশ্লিষ্টরা এ বিষয় কোন পদক্ষেপ গ্রহণ করছে না। স্থানীয় শিক্ষক বাবু মল্লিক সব বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে এবং সে বিদ্যালয়ে প্রভাব বিস্তার করে চলছে। এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক কোন পদক্ষেপ নিতে পারছে না।

মাহফুজুর রহমান সেন্টু এ বিষয়ে বলেন, আমি ঘটনার দিন রাত্রে বিষয়টি জানতে পেরে প্রধান শিক্ষকের সাথে বিষয়টা নিয়ে আলোচনা করেছি। তিনি আমাকে জানিয়েছেন আমরা স্থানীয়দের মাধ্যমে সমঝোতা করার চেষ্টা করছি। আমি এলাকাবাসী হিসেবে বলতে চাই এই ধরনের আপত্তিকর ঘটনা যাতে আমাদের বিদ্যালয়ে আর না ঘটে সেই ব্যবস্থা যেন কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করেন।

পল্লী উন্নয়ন বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কার্তিক চন্দ্র পাল জানান, আমাদের বিদ্যালয়ে একটা অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে, আমরা এটা সমাধান করার জন্য ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি এবং জামায়াতের সভাপতি কে বিষয়টা অবহিত করেছি। এখন পর্যন্ত আমরা কোন সমাধান করতে পারেনি।

এ বিষয়ে বাগেরহাট সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার আতিয়া খাতুন বলেন, আমাকে এখন পর্যন্ত বিষয়টা কেউ অবহিত করেনি। আমি এইমাত্র আপনাদের মাধ্যমে জানতে পেরেছি। আমি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের সাথে কথা বলে এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।