
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র দুঃসময়ের কান্ডারি এবং তৃণমূল থেকে উঠে আসা এক লড়াকু নেতৃত্বের নাম আইরিন পারভীন খন্দকার। চট্টগ্রাম-১ (মিরসরাই) আসনের সাবেক দুইবারের সফল সংসদ সদস্য, মরহুম ওবায়দুল হক খন্দকারের সুযোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে তিনি এবার সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশা করছেন।
পারভীন খন্দকারের রাজনীতির হাতেখড়ি ১৯৮৬ সালে, চট্টগ্রামের বারইয়ার হাট ডিগ্রি কলেজে ছাত্রদলের মাধ্যমে। দীর্ঘ ৩৯ বছরের রাজনৈতিক জীবনে স্বৈরাচার বিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে দলের প্রতিটি ক্রান্তিলগ্নে তিনি ছিলেন রাজপথের পরীক্ষিত সৈনিক। বর্তমানে তিনি জাতীয়তাবাদী সাইবার দল কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতি হিসেবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে দলের আদর্শ প্রচারে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখছেন।
আইরিন পারভীন খন্দকার বলেন
বাবার আদর্শ বুকে ধারণ করেই আমার রাজনীতি। ১৯৮৬ সালে ছাত্রদলের যে পতাকা হাতে তুলে নিয়েছিলাম, শত প্রতিকূলতাতেও তা নামিয়ে রাখিনি। আমি বিশ্বাস করি, দেশনায়ক তারেক রহমানের হাতকে শক্তিশালী করতে এবং চট্টগ্রামের নারীদের অধিকার আদায়ে আমি সংসদে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারব।”
তৃণমূলের নেতাকর্মীদের প্রত্যাশা, দলের প্রতি আইরিন পারভীন খন্দকারের দীর্ঘদিনের ত্যাগ ও আনুগত্যের মূল্যায়ন করবে হাইকোর্ট। রাজপথের এই বলিষ্ঠ কণ্ঠস্বর সংসদে চট্টগ্রামের অবহেলিত নারী সমাজের প্রতিনিধিত্ব করবেন—এমনটাই আশা মিরসরাইসহ পুরো চট্টগ্রামের জাতীয়তাবাদী শক্তির।



















