১০:৪৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২৬

ব্রাহ্মণপাড়ায় রফিকের বিরুদ্ধে মাদক কারবার ও কিশোর গ্যাং পরিচালনার অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : ০১:১৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 115

ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি – কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের বুড়ুমিয়ার বাড়ি এলাকার কাসেম মিয়ার ছেলে রফিকের বিরুদ্ধে মাদক কারবার, কিশোরদের মাদক সেবনে জড়ানো, চুরি-ছিনতাই এবং কিশোর গ্যাং পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, রফিক একসময় ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বর্তমানে ডাকাতি ছেড়ে মাদক ব্যবসায় জড়িয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ, তিনি এলাকায় ইয়াবা

গাঁজা ও ফেনসিডিল সরবরাহ করেন। সম্প্রতি নিজে ইয়াবা সেবন করার পাশাপাশি তার এক ভাতিজাকেও ইয়াবা সেবনে উৎসাহিত করার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, রফিক অল্প বয়সী কয়েকজন ছেলেকে মাদক সেবনে জড়িত করে তাদের দিয়ে চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে নারীসংক্রান্ত অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, রফিক ও তার ছেলে মিলে এলাকায় একটি কিশোর গ্যাং তৈরি করেছেন। ওই কিশোরদের হাতে দেশীয় অস্ত্র ও চাপাতিসহ বিভিন্ন অস্ত্র তুলে দিয়ে মাদক পরিবহনসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া রফিকের বিরুদ্ধে সীমান্ত এলাকায় মাদক ও নারী পাচারের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগও স্থানীয়ভাবে রয়েছে। কেউ এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন।

স্থানীয়দের আরও দাবি, রফিকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তবে মামলাগুলোর সংখ্যা, প্রকৃতি ও বর্তমান অবস্থা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের পরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের।

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের কাছে অভিযোগগুলো তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন

জনপ্রিয়

ব্রাহ্মণপাড়ায় রফিকের বিরুদ্ধে মাদক কারবার ও কিশোর গ্যাং পরিচালনার অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০১:১৩:২৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি – কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার মাধবপুর ইউনিয়নের বুড়ুমিয়ার বাড়ি এলাকার কাসেম মিয়ার ছেলে রফিকের বিরুদ্ধে মাদক কারবার, কিশোরদের মাদক সেবনে জড়ানো, চুরি-ছিনতাই এবং কিশোর গ্যাং পরিচালনার অভিযোগ উঠেছে।

স্থানীয়দের দাবি, রফিক একসময় ডাকাতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। বর্তমানে ডাকাতি ছেড়ে মাদক ব্যবসায় জড়িয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয় সূত্রের অভিযোগ, তিনি এলাকায় ইয়াবা

গাঁজা ও ফেনসিডিল সরবরাহ করেন। সম্প্রতি নিজে ইয়াবা সেবন করার পাশাপাশি তার এক ভাতিজাকেও ইয়াবা সেবনে উৎসাহিত করার অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ রয়েছে, রফিক অল্প বয়সী কয়েকজন ছেলেকে মাদক সেবনে জড়িত করে তাদের দিয়ে চুরি-ছিনতাইসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করেন। এছাড়া তার বিরুদ্ধে নারীসংক্রান্ত অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগও রয়েছে।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, রফিক ও তার ছেলে মিলে এলাকায় একটি কিশোর গ্যাং তৈরি করেছেন। ওই কিশোরদের হাতে দেশীয় অস্ত্র ও চাপাতিসহ বিভিন্ন অস্ত্র তুলে দিয়ে মাদক পরিবহনসহ অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এছাড়া রফিকের বিরুদ্ধে সীমান্ত এলাকায় মাদক ও নারী পাচারের সঙ্গে সম্পৃক্ততার অভিযোগও স্থানীয়ভাবে রয়েছে। কেউ এসব কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করলে তাকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করেছেন স্থানীয় কয়েকজন।

স্থানীয়দের আরও দাবি, রফিকের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় একাধিক মামলা রয়েছে। তবে মামলাগুলোর সংখ্যা, প্রকৃতি ও বর্তমান অবস্থা যাচাই করা সম্ভব হয়নি। বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশের পরও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি বলেও অভিযোগ স্থানীয়দের।

এ বিষয়ে স্থানীয় বাসিন্দারা প্রশাসনের কাছে অভিযোগগুলো তদন্ত করে সত্যতা যাচাই এবং প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন