
এস.এম ফরিদ রানা, খুলনা
আজ বৃহস্পতিবার থেকে তাবলীগ জামাত ৩ দিনের খুলনা বিভাগীয় ইজতেমা শুরু হয়েছে। ১১,১২ ও ১৩ ডিসেম্বর ২০২৫ এই ইজতেমা চলবে। শনিবার আখেরী মোনাজাতের মধ্যদিয়ে শেষ হবে। ইতোমধ্যে খুলনা কেডিএর ময়ুর আবাসিক এলাকার বিশাল জায়গাজুড়ে ময়দান প্রস্তুতি হয়েছে।
বুধবার সরজমিনে যেয়ে দেখা যায়, খুলনা-যশোর বাইপাস সড়কের পাশেই সোনাডাঙ্গা বাসস্ট্যান্ডের পশ্চিম দিকে খুলনা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ(কেডিএ) এর অন্যতম বড় আবাসন প্রকল্প ‘ময়ূরী’। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উত্তর দিকে অবস্থিত এই আবাসন প্রকল্পের বিশাল এলাকাজুড়ে তাবলীগ জামাত খুলনা বিভাগীয় ইজতেমার ময়দান প্রস্তুত করা হয়েছে।
গত ১৪ নভেম্বর শুক্রবার জুম্মা নামাজ শেষে তাবলীগের খুলনা জেলা আমীর মাওলানা মোঃ মাসুম বিল্লাহ এর বয়ানের মধ্য দিয়ে ইজতেমার ময়দান প্রস্তুতির কাজ শুরু হয়।
তাবলীগের সাথীরা নিজ নিজ দায়িত্বের মধ্য দিয়ে পানি,বিদ্যুৎ, পাহারা, পয়ঃনিষ্কাশন, স্যানিটেশন, যোগাযোগ, মাইক স্থাপন, পরিষ্কার- পরিছন্ন, বিদেশী মেহমানদের কামরা ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।
খুলনা জেলার ৯ উপজেলা ৬৮ টি ইউনিয়নের বিভিন্ন হালকা থেকে তাবলীগের সাথীরা এসে ময়দান প্রস্তুতির এই কাজে অংশগ্রহণ করেন।
আয়োজকেরা জানান, আশা করছি আল্লাহর রহমতে নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই ময়দান প্রস্তুতির কাজ শেষ হবে।তাবলীগের সাথী মোঃ সাদিক সরদার জানান, দ্বীনের দাওয়াত এবং পথভুলা মানুষদের আল্লাহর পথে আহবান করার জন্যই তাবলীগ জামাত এর এই আয়োজন।
উল্লেখ্য বিগত কয়েক বছর ধরে স্থানটিতে খুলনা জেলা ইজতেমা অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। কিন্তু এবছর তাবলীগের মুরব্বিদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী দেশের ৮ টি বিভাগে বিভাগীয় ইজতেমার অংশ হিসেবে খুলনা বিভাগের ইজতেমা এখানে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। বিভাগীয় এই ইজতেমায় খুলনা বিভাগের খুলনা, কুষ্টিয়া, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, যশোর, নড়াইল, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, মাগুরা, মেহেরপুর এবং আশপাশের বিভিন্ন জেলার মুসল্লীরা অংশ নিবেন।
তাবলীগ এর সাথী মোঃ আমানুল্লাহ সিদ্দিক তুহিন বলেন, দেশের বিভিন্ন জেলার ধর্মপ্রাণ মুসল্লীসহ অনেক দেশের বিদেশি মেহমানরা এই ইজতেমায় অংশ গ্রহণ করবেন। তাবলীগ এর মুরব্বি মোহম্মদ গোলাম মোস্তফা বলেন, আগামী শনিবার সকালে আখেরি মোনাজাত এর মধ্যদিয়ে তিন দিনের এই বিভাগীয় ইজতেমা শেষ হবে।
তবে সময় এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। আয়োজকরা জানান, তাবলীগে মূল উদ্দেশ্য হলো আল্লাহর রাস্তায় বের হওয়া, মসজিদ আবাদি মেহনত, ইনফেরাদি দাওয়াত, জাহান্নাম থেকে বাচাইবার জন্য ফিকির করায় এই ইজতেমার মূল উদ্দেশ্য।



























