০৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬

কসবা সীমান্তে মাদক সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য: যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি সাধারণ মানুষের

  • প্রকাশের সময় : ০৬:১৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬
  • 37

 নিজস্ব প্রতিবেদক   ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা সীমান্ত এলাকায় আবারও ভারতীয় অবৈধ পণ্য ও মাদক প্রবেশের অভিযোগ উঠেছে।

বিশেষ করে ঈদকে সামনে রেখে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে এসব পণ্য দেশে ঢুকছে বলে স্থানীয়দের দাবি। এ অবস্থায় প্রশাসনের কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,গৌপীনাথপুর ,কসবা আকাবপুর ,ও কসবা পৌরসভা,সহ কসবার বায়েক ও কায়েমপুর সীমান্ত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চোরাচালানের একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে বায়েক ইউনিয়নের যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক রফিকুল ইসলাম এক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, যিনি দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় অবৈধ পণ্য ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তার সহযোগী বায়েক ২নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি হিরা আলী ও জড়িত আছে বলে এলাকাবাসীর দাবি।

অনুসন্ধানী একটি টিম সম্প্রতি বায়েক ও কায়েমপুর সীমান্ত এলাকায় গেলে গোপন ক্যামেরায় দিনের বেলাতেই ভারত থেকে বিভিন্ন পণ্য প্রবেশের দৃশ্য ধরা পড়ে । স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এসব চক্রের বিরুদ্ধে কথা বললে অনেক সময় হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হয়। ফলে অনেকেই ভয়ে মুখ খুলতে চান না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই চক্র রাতের বেলায় প্রাইভেটকারে করে ভারতীয় বিভিন্ন অবৈধ পণ্য দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে থাকে। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্টদের দৃশ্যমান বৈধ আয়ের উৎস না থাকলেও তার অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন।

তার বায়েক নিজ গ্ৰামের বাড়ীতে ও কুমিল্লা রয়েছে দুইটি কোটি টাকার বিশাল বহুল বাড়ী ,
এ বিষয়ে এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে প্রশাসনের উচিত প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা এবং যারা অবৈধ চোরাচালান ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ।
স্থানীয়দের আশঙ্কা,

ঈদকে সামনে রেখে কসবার সীমান্তবর্তী রেলওয়ে স্টেশন, ইমামবাড়ী, কসবা ও মন্দভাগসহ বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ভারতীয় অবৈধ পণ্য প্রবেশের চেষ্টা বাড়তে পারে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে সীমান্ত এলাকায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

জনপ্রিয়

বেনাপোলে বিজিবির ট্রাকের ধাক্কায় সাইকেল আরোহী নিহত

কসবা সীমান্তে মাদক সিন্ডিকেটের দৌরাত্ম্য: যুবলীগ নেতা রফিকুল ইসলামের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপের দাবি সাধারণ মানুষের

প্রকাশের সময় : ০৬:১৩:৪৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬

 নিজস্ব প্রতিবেদক   ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলা সীমান্ত এলাকায় আবারও ভারতীয় অবৈধ পণ্য ও মাদক প্রবেশের অভিযোগ উঠেছে।

বিশেষ করে ঈদকে সামনে রেখে সীমান্তবর্তী বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে এসব পণ্য দেশে ঢুকছে বলে স্থানীয়দের দাবি। এ অবস্থায় প্রশাসনের কঠোর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়,গৌপীনাথপুর ,কসবা আকাবপুর ,ও কসবা পৌরসভা,সহ কসবার বায়েক ও কায়েমপুর সীমান্ত এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে চোরাচালানের একটি চক্র সক্রিয় রয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, এই চক্রের সঙ্গে বায়েক ইউনিয়নের যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক রফিকুল ইসলাম এক ব্যক্তির সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, যিনি দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় অবৈধ পণ্য ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এবং তার সহযোগী বায়েক ২নং ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি হিরা আলী ও জড়িত আছে বলে এলাকাবাসীর দাবি।

অনুসন্ধানী একটি টিম সম্প্রতি বায়েক ও কায়েমপুর সীমান্ত এলাকায় গেলে গোপন ক্যামেরায় দিনের বেলাতেই ভারত থেকে বিভিন্ন পণ্য প্রবেশের দৃশ্য ধরা পড়ে । স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, এসব চক্রের বিরুদ্ধে কথা বললে অনেক সময় হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হয়। ফলে অনেকেই ভয়ে মুখ খুলতে চান না।

স্থানীয়দের অভিযোগ, এই চক্র রাতের বেলায় প্রাইভেটকারে করে ভারতীয় বিভিন্ন অবৈধ পণ্য দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করে থাকে। তাদের দাবি, সংশ্লিষ্টদের দৃশ্যমান বৈধ আয়ের উৎস না থাকলেও তার অল্প সময়ের মধ্যে বিপুল সম্পদের মালিক হয়েছেন।

তার বায়েক নিজ গ্ৰামের বাড়ীতে ও কুমিল্লা রয়েছে দুইটি কোটি টাকার বিশাল বহুল বাড়ী ,
এ বিষয়ে এলাকাবাসীর দাবি, বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করে প্রশাসনের উচিত প্রকৃত সত্য উদঘাটন করা এবং যারা অবৈধ চোরাচালান ও মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা।

এদিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা-আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য মুশফিকুর রহমান সীমান্ত এলাকায় মাদক ও চোরাচালান বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন ।
স্থানীয়দের আশঙ্কা,

ঈদকে সামনে রেখে কসবার সীমান্তবর্তী রেলওয়ে স্টেশন, ইমামবাড়ী, কসবা ও মন্দভাগসহ বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে ভারতীয় অবৈধ পণ্য প্রবেশের চেষ্টা বাড়তে পারে। তাই দ্রুত সময়ের মধ্যে সীমান্ত এলাকায় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কঠোর নজরদারি জোরদারের দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।