০১:২৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

দেশের পথে তারেক রহমান বরণ করে নিতে প্রস্তুত লক্ষ লক্ষ বিএনপি নেতাকর্মী

  • প্রকাশের সময় : ০৬:৩৮:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 69

সৌদি প্রতিনিধি: মো: সেলিম রানা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের অপেক্ষা। দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র ও দলের অভিভাবক হিসেবে পরিচিত জনাব তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে সারাদেশে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আলোড়ন। তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত লক্ষ লক্ষ বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থক।
দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড় ও জনপথে ব্যাপক জনসমাগম হতে পারে। ইতোমধ্যে বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বরণ অনুষ্ঠানকে সফল করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন।
বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম নতুন স্বপ্ন ও একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা দেখার প্রত্যাশায় আজ রাজপথে মুখর। বিএনপি নেতাকর্মীদের মতে, তারেক রহমানের দেশে ফেরা কেবল একজন নেতার প্রত্যাবর্তন নয়, বরং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দমন-পীড়নের অবসান এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথে একটি বড় পদক্ষেপ।
এদিকে, বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে সৌদি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ১০১ টিম মানবতার সংঘটন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রবাসে থেকেও তারা দেশ ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে সদা সচেতন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রবাসী শ্রমিক ও রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের অধিকার আদায়ে তারেক রহমানের ভূমিকা অতীতে যেমন গুরুত্বপূর্ণ ছিল, ভবিষ্যতেও তা আরও শক্তিশালী হবে বলে তারা বিশ্বাস করেন। তার প্রত্যাবর্তন দেশের রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন বয়ে আনবে বলেও মন্তব্য করেন তারা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের দেশে ফেরা দেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। বিশেষ করে তরুণ সমাজের মাঝে তাঁর নেতৃত্ব নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সব মিলিয়ে, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে এক উৎসবমুখর ও ঐতিহাসিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রত্যাশা, ভালোবাসা ও আন্দোলনের প্রতীক হয়ে এই আগমন বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে—এমনটাই মনে করছেন বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা।

জনপ্রিয়

কুমিল্লায় পাহাড় কাটায় এক মামলায় ৮ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, এক্সকেভেটর জব্দ

দেশের পথে তারেক রহমান বরণ করে নিতে প্রস্তুত লক্ষ লক্ষ বিএনপি নেতাকর্মী

প্রকাশের সময় : ০৬:৩৮:০৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ ডিসেম্বর ২০২৫

সৌদি প্রতিনিধি: মো: সেলিম রানা

বাংলাদেশের রাজনীতিতে এক ঐতিহাসিক মুহূর্তের অপেক্ষা। দীর্ঘ ১৭ বছর পর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান, সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র ও দলের অভিভাবক হিসেবে পরিচিত জনাব তারেক রহমানের দেশে প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে সারাদেশে সৃষ্টি হয়েছে ব্যাপক আলোড়ন। তাকে স্বাগত জানাতে প্রস্তুত লক্ষ লক্ষ বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থক।
দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, তারেক রহমানের আগমন উপলক্ষে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ রাজধানী ঢাকার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, মোড় ও জনপথে ব্যাপক জনসমাগম হতে পারে। ইতোমধ্যে বিএনপি ও এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা বরণ অনুষ্ঠানকে সফল করতে সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন।
বাংলাদেশের নতুন প্রজন্ম নতুন স্বপ্ন ও একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা দেখার প্রত্যাশায় আজ রাজপথে মুখর। বিএনপি নেতাকর্মীদের মতে, তারেক রহমানের দেশে ফেরা কেবল একজন নেতার প্রত্যাবর্তন নয়, বরং দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দমন-পীড়নের অবসান এবং গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের পথে একটি বড় পদক্ষেপ।
এদিকে, বিএনপি ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছে সৌদি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধা ১০১ টিম মানবতার সংঘটন। সংগঠনটির পক্ষ থেকে এক বিবৃতিতে বলা হয়, প্রবাসে থেকেও তারা দেশ ও গণতন্ত্রের প্রশ্নে সদা সচেতন। তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশে গণতন্ত্র, মানবাধিকার ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, প্রবাসী শ্রমিক ও রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের অধিকার আদায়ে তারেক রহমানের ভূমিকা অতীতে যেমন গুরুত্বপূর্ণ ছিল, ভবিষ্যতেও তা আরও শক্তিশালী হবে বলে তারা বিশ্বাস করেন। তার প্রত্যাবর্তন দেশের রাজনীতিতে ইতিবাচক পরিবর্তন বয়ে আনবে বলেও মন্তব্য করেন তারা।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, তারেক রহমানের দেশে ফেরা দেশের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে। বিশেষ করে তরুণ সমাজের মাঝে তাঁর নেতৃত্ব নিয়ে ব্যাপক আগ্রহ ও প্রত্যাশা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা ভবিষ্যতের রাজনৈতিক সমীকরণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
সব মিলিয়ে, তারেক রহমানের প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে এক উৎসবমুখর ও ঐতিহাসিক পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রত্যাশা, ভালোবাসা ও আন্দোলনের প্রতীক হয়ে এই আগমন বাংলাদেশের রাজনীতিতে নতুন দিগন্তের সূচনা করবে—এমনটাই মনে করছেন বিএনপি নেতাকর্মী ও সমর্থকেরা।