১১:৪৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬

খুলনায় পুলিশের অভিযানে লেদ কারখানা থেকে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র সামগ্রী ডামি

  • প্রকাশের সময় : ০৯:৪১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 165

খুলনা ব্যুরো

খুলনা মহানগরীতে অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান ছিলো সন্দেহতিত। উদ্ধারকৃত অস্ত্র যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, এগুলো ডামি অস্ত্র। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি সদস্যদের জন্য ওই কারখানায় ডামি অস্ত্রগুলো তৈরি করা হয়।

সূত্রে প্রকাশ, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নগরীর জোড়াগেট এলাকার গণপূর্ত অফিসের অপর পাশের একটি লেদ কারখানায় অভিযান চালায় নগর গোয়েন্দা পুলিশ। জানানো হয় অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান চালছে। বিপুল পরিমাণ অস্ত্রের সন্ধান পাওয়া যাবে। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে নজরুল দোহা আয়রন ফাউন্ডার মালিক নজরুল ইসলাম, কর্মচারী শহিদুল ও আকবর আলীকে আটক করে। মুহূর্তের মধ্যে বিষয়টি গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়।
পুলিশের দাবি, অস্ত্র তৈরির ছাঁচ, সিসা, ট্রিগার, ট্রিগার গার্ডসহ প্রায় ৩০-৩৫টি অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তখন আটককৃতরা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানান, উদ্ধারকৃত এসব সরঞ্জাম ডামি। এগুলো অস্ত্র তৈরির ছাঁচ ও সিসা নয়। অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি। এসব ডামি সরঞ্জাম তৈরির জন্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি বিভাগের একটি অর্ডারের কপি দেখিয়েছেন তারা। পরে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসির সঙ্গে কথা বলে সত্যতা নিশ্চিত হন পুলিশ। পরে তারা যাচাই-বাছাই করে দেখেন এগুলো আসলেই ডামি অস্ত্র ও সরঞ্জাম।
অভিযান শেষে বেশ রাতে কেএমপির উপপুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘অভিযানে কারখানা থেকে উদ্ধার করা অস্ত্রগুলো ছিলো ডামি। এ ঘটনায় ভুলক্রমে তিন জনকে আটক করা হয়। শেষে যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত হওয়া গেলো এগুলো ডামি অস্ত্র। যা বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনসিসির প্রশিক্ষণের জন্য তৈরি করা হয়।

জনপ্রিয়

চাঁপাইনবাবগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ-এর আয়োজনে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

খুলনায় পুলিশের অভিযানে লেদ কারখানা থেকে উদ্ধার হওয়া অস্ত্র সামগ্রী ডামি

প্রকাশের সময় : ০৯:৪১:১৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ ডিসেম্বর ২০২৫

খুলনা ব্যুরো

খুলনা মহানগরীতে অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানার সন্ধান ছিলো সন্দেহতিত। উদ্ধারকৃত অস্ত্র যাচাই-বাছাই করে দেখা যায়, এগুলো ডামি অস্ত্র। খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি সদস্যদের জন্য ওই কারখানায় ডামি অস্ত্রগুলো তৈরি করা হয়।

সূত্রে প্রকাশ, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে নগরীর জোড়াগেট এলাকার গণপূর্ত অফিসের অপর পাশের একটি লেদ কারখানায় অভিযান চালায় নগর গোয়েন্দা পুলিশ। জানানো হয় অবৈধ অস্ত্র তৈরির কারখানায় অভিযান চালছে। বিপুল পরিমাণ অস্ত্রের সন্ধান পাওয়া যাবে। ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে নজরুল দোহা আয়রন ফাউন্ডার মালিক নজরুল ইসলাম, কর্মচারী শহিদুল ও আকবর আলীকে আটক করে। মুহূর্তের মধ্যে বিষয়টি গণমাধ্যমে শিরোনাম হয়।
পুলিশের দাবি, অস্ত্র তৈরির ছাঁচ, সিসা, ট্রিগার, ট্রিগার গার্ডসহ প্রায় ৩০-৩৫টি অস্ত্র তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তখন আটককৃতরা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের জানান, উদ্ধারকৃত এসব সরঞ্জাম ডামি। এগুলো অস্ত্র তৈরির ছাঁচ ও সিসা নয়। অ্যালুমিনিয়াম দিয়ে তৈরি। এসব ডামি সরঞ্জাম তৈরির জন্য খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় বিএনসিসি বিভাগের একটি অর্ডারের কপি দেখিয়েছেন তারা। পরে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিএনসিসির সঙ্গে কথা বলে সত্যতা নিশ্চিত হন পুলিশ। পরে তারা যাচাই-বাছাই করে দেখেন এগুলো আসলেই ডামি অস্ত্র ও সরঞ্জাম।
অভিযান শেষে বেশ রাতে কেএমপির উপপুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, ‘অভিযানে কারখানা থেকে উদ্ধার করা অস্ত্রগুলো ছিলো ডামি। এ ঘটনায় ভুলক্রমে তিন জনকে আটক করা হয়। শেষে যাচাই-বাছাই করে নিশ্চিত হওয়া গেলো এগুলো ডামি অস্ত্র। যা বিভিন্ন কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে বিএনসিসির প্রশিক্ষণের জন্য তৈরি করা হয়।