০৬:৩০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

ব্রাহ্মণপাড়ায় ভর্তি ফরমে ‘মুজিব শতবর্ষ’ ও হাসিনার স্লোগান ইনচার্জকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ, তদন্ত কমিটি গঠন

  • প্রকাশের সময় : ০২:৩৩:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • 74

ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: মো. ফয়সাল সিকদার 

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার চান্দলা করিম বক্স হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে এইচএসসি প্রথম বর্ষের ভর্তি ফরমে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি, ‘মুজিব শতবর্ষ’ লোগো এবং ‘শিক্ষা নিয়ে গড়ব দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’ স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
ঘটনার সত্যতা পাওয়ার পর কলেজ শাখার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে প্রতিষ্ঠান থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি আবুল বাশার সরকার। একই সঙ্গে ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
জানা যায়, গত মঙ্গলবার সকালে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হলে শিক্ষার্থীদের দেওয়া ফরমে ‘মুজিব শতবর্ষ’ লোগো এবং ‘শিক্ষা নিয়ে গড়ব দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’ স্লোগান দেখতে পান অনেকে। পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ফয়সল কবির আখন্দ প্রতিবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। একইভাবে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোস্তফা জামানও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
তবে অভিযোগের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া ও কলেজ শাখার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ পরস্পরকে দায়ী করেছেন। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দাবি, তাঁকে না জানিয়ে ইনচার্জ এককভাবে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। অন্যদিকে ইনচার্জের দাবি, ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফরম ছাপানো হয়েছিল এবং এতে কম্পিউটার অপারেটরের ভুল থাকতে পারে।
চান্দলা করিম বক্স হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি আবুল বাশার সরকার বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত অনভিপ্রেত। বিষয়টির সত্যতা পাওয়ার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কলেজ শাখার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে কলেজ থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে যারা দোষী প্রমাণিত হবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহীদুল করিম বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

জনপ্রিয়

ব্রাহ্মণপাড়ায় ভর্তি ফরমে ‘মুজিব শতবর্ষ’ ও হাসিনার স্লোগান ইনচার্জকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ, তদন্ত কমিটি গঠন

প্রকাশের সময় : ০২:৩৩:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ব্রাহ্মণপাড়া (কুমিল্লা) প্রতিনিধি: মো. ফয়সাল সিকদার 

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার চান্দলা করিম বক্স হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজে এইচএসসি প্রথম বর্ষের ভর্তি ফরমে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি, ‘মুজিব শতবর্ষ’ লোগো এবং ‘শিক্ষা নিয়ে গড়ব দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’ স্লোগান ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয়দের মধ্যে প্রতিক্রিয়া দেখা দেয়।
ঘটনার সত্যতা পাওয়ার পর কলেজ শাখার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে প্রতিষ্ঠান থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি আবুল বাশার সরকার। একই সঙ্গে ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।
জানা যায়, গত মঙ্গলবার সকালে ভর্তি কার্যক্রম শুরু হলে শিক্ষার্থীদের দেওয়া ফরমে ‘মুজিব শতবর্ষ’ লোগো এবং ‘শিক্ষা নিয়ে গড়ব দেশ, শেখ হাসিনার বাংলাদেশ’ স্লোগান দেখতে পান অনেকে। পরে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
এ ঘটনায় ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা ছাত্রদলের সদস্য সচিব ফয়সল কবির আখন্দ প্রতিবাদ জানিয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। একইভাবে উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মোস্তফা জামানও ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।
তবে অভিযোগের বিষয়ে প্রতিষ্ঠানের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ শরিফুল ইসলাম ভূঁইয়া ও কলেজ শাখার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদ পরস্পরকে দায়ী করেছেন। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দাবি, তাঁকে না জানিয়ে ইনচার্জ এককভাবে ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। অন্যদিকে ইনচার্জের দাবি, ভর্তি কমিটির সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ফরম ছাপানো হয়েছিল এবং এতে কম্পিউটার অপারেটরের ভুল থাকতে পারে।
চান্দলা করিম বক্স হাই স্কুল অ্যান্ড কলেজের অ্যাডহক কমিটির সভাপতি আবুল বাশার সরকার বলেন, “ঘটনাটি অত্যন্ত অনভিপ্রেত। বিষয়টির সত্যতা পাওয়ার পর তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কলেজ শাখার ইনচার্জ আবুল কালাম আজাদকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিয়ে কলেজ থেকে সরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তদন্তে যারা দোষী প্রমাণিত হবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শহীদুল করিম বলেন, “বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। ঘটনাটি তদন্ত করে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”