
মোঃ মোসলেম উদ্দিন সিরাজী
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জে কলেজ শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান রিয়াদ (১৯) কে কুপিয়ে হত্যা মামলায় তিনজনকে আটক করেছে পুলিশ। প্রকাশ্য দিবালোকে খুনের ঘটনায় শহরজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। নিহত রিয়াদ শহরের সয়াধানগড়া খানপাড়া মহল্লার রেজাউল করিমের ছেলে। তিনি ইসলামিয়া সরকারি কলেজের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। আটককৃতরা সবাই পাশের ধানবান্ধি মহল্লার। তারা হলেন, আব্দুস সাত্তারের ছেলে মোঃ আশিক (২২), জামাল শেখের ছেলে মোঃ সাকিব ইব্রাহিম (২৮) ও উজ্জল হোসেনের ছেলে মোঃ মেহেদী হাসান (১৮)।সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) বিকেলে জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও অভিযান) হাফিজুর রহমান ও সদর থানা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজরান রউফ বলেছেন, আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ ও অন্য আসামিদের আটকে অভিযান চলছে। সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শহিদুল ইসলাম ও উপ-পরিদর্শক (এসআই) প্রণয় কুমার বলেছেন, ঘটনার পর থেকেই জড়িতদের গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক টিম মাঠে কাজ করেছে। নিহতের মরদেহ শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। ময়না তদন্ত শেষে দুপুরে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শহরের চৌরাস্তার মোড়ে গত রবিবার (২৮ ডিসেম্বর) বিকেল পাঁচটার দিকে শহরের চৌরাস্তা মোড়ের বাহিরগোলা সড়কে সিএনজি চালিত অটোরিকশায় বসেছিলেন আব্দুর রহমান রিয়াদ। এ সময় একদল দুর্বৃত্ত বিভিন্ন দিক থেকে ছুটে এসে তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে স্থানীয়রা শহীদ এম মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। এই হত্যার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়ে তা মূহুর্তে ভাইরাল হয়ে যায়। ফুটেজে ১নং পুলিশ ফাঁড়ির অদূরে দাঁড়িয়ে থাকা অটোরিকশাটির ভেতরেই রিয়াদকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখমের পর ১৫/২০ জনকে পালিয়ে যেতে দেখা গেছে। প্রত্যক্ষদর্শীরাও বলেছেন, শার্ট-প্যান্ট ও জ্যাকেট পরিহিত দুর্বৃত্তদের সবার হাতে ধারালো অস্ত্র চাপাতি ও ছুরি ছিলো। এই ঘটনায় রাত্রেই ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরো ১৫/২০ জনের বিরুদ্ধে সদর থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেছিলেন নিহত রিয়াদের বাবা রেজাউল করিম। এর পর থেকে খুনিদের গ্রেপ্তারে শহরজুড়ে অভিযান চালাচ্ছে পুলি






















