
মোঃ মোসলেম উদ্দিন সিরাজী
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি
সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় এক হিন্দু নারীর সৎকার কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে মরদেহ নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিক্ষোভ করেছেন নিহত নারীর স্বজন ও স্থানীয়রা। নিহত নারীর নাম মিনা বনিক (৫৫)। তিনি উপজেলার ঝিকিড়া গ্রামের প্রয়াত গণেশ বনিকের স্ত্রী। স্থানীয় সূত্র জানা যায়, উপজেলার ঘোষগাঁতী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি শ্মশানের নামকরণকে কেন্দ্র করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরোধ চলছিলো। আগে এর নাম ছিল ‘উল্লাপাড়া মহাশ্মশান’। সম্প্রতি সেটির নাম পরিবর্তন করে ‘ঘোষগাঁতী হিন্দু মহাশ্মশান’ রাখা হয়েছে। এই পরিবর্তনকে ঘিরেই বিভক্তি তৈরি হয় দুটি পক্ষের মধ্যে। গতকাল রবিবার রাতে মিনা বনিক মারা গিয়েছে। সোমবার সকালে তাঁর স্বজনেরা শ্মশানে সৎকারের প্রস্তুতির জন্য চাবি চাইতে গেলে বাবলু ভৌমিক নামের এক ব্যক্তি চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, তিনি তাঁদের বলেছেন, তোমাদের এখানে নয়, উল্লাপাড়া মহাশ্মশানে নিয়ে গিয়ে সৎকার করতে হবে। এর প্রতিবাদে সকালে নিহত নারীর পরিবার ও স্থানীয়রা মরদেহ নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে বিক্ষোভ করেছেন। নিহতের ভাতিজা সুকদেব সাহা ও রাজেশ কুমার সাহা বলেছেন,আমাদের চাচীর সৎকারে বাধা দেওয়া হয়েছে। ইচ্ছাকৃত ভাবে বিভেদ সৃষ্টি করতে বাবলু ভৌমিক শ্মশানের চাবি দেননি। বাধ্য হয়ে আমরা মরদেহ নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে এসেছি। এ বিষয়ে বাবলু ভৌমিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়। উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ. টি. এম. আরিফ বলেছেন,“হিন্দু সম্প্রদায়ের দুই পক্ষের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিলো। পরে আমি ফোনে পৌরসভা সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের জানিয়ে দিয়েছি। এখন সৎকার কাজ সম্পন্ন হয়েছে।






















