১২:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬

কুমিল্লার বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে

  • প্রকাশের সময় : ০২:১৮:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫
  • 298

এমনটি দাবি করেছেন থানার বেশ কয়েকজন সদস্য ও স্থানীয় কিছু ভুক্তভোগী। সরেজমিন অনুসন্ধান এবং একাধিক সূত্রের বরাতে জানা যায়, তার দায়িত্ব পালন নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

সূত্রগুলোর অভিযোগ, বরুড়া থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অনিয়মের একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। অভিযোগকারীরা জানান, থানার পাশের একটি দোকানের মাধ্যমে এবং নির্দিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির সহযোগিতায় ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদনপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। একাধিক আবেদন একসঙ্গে জমা পড়লেও যারা অতিরিক্ত টাকা দেন না, তাদের ক্লিয়ারেন্স বিলম্বিত হয়—এমন অভিযোগও পাওয়া গেছে।

থানার ভেতরকার কিছু কর্মকর্তার দাবি, নিয়মিত ডিউটি অফিসাররা অভিযোগ গ্রহণের সময় বিভিন্নভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত আর্থিক লেনদেনে বাধ্য হন। অভিযোগ আছে, ডিউটি অফিসাররা যে অতিরিক্ত টাকা পান, তার একটি অংশ ওসি’র কাছে জমা দিতে হয়। এমন পরিস্থিতিকে অনেকেই ‘দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত হওয়া অনিয়ম’ বলে অভিহিত করেছেন।

সূত্রগুলো আরও বলেন, এসব অনিয়ম ও আর্থিক দুরাচারের কারণে থানার ভেতরে কর্মপরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং কর্মকর্তাদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। তাদের দাবি, ওসি নাজমুল ইসলামের প্রধান মনোযোগ আর্থিক লেনদেনের দিকে, যা থানার স্বাভাবিক প্রশাসনিক কার্যক্রমকে বিঘ্নিত করছে।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে ওসি নাজমুল ইসলামের কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলো যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা।

জনপ্রিয়

ব্রাহ্মণপাড়ায় মাদক কারবারিদের সঙ্গে এসআই সুজনের যোগসাজশের অভি’যোগ, তদন্তের দাবি

কুমিল্লার বরুড়া থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল ইসলামের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে

প্রকাশের সময় : ০২:১৮:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ নভেম্বর ২০২৫

এমনটি দাবি করেছেন থানার বেশ কয়েকজন সদস্য ও স্থানীয় কিছু ভুক্তভোগী। সরেজমিন অনুসন্ধান এবং একাধিক সূত্রের বরাতে জানা যায়, তার দায়িত্ব পালন নিয়ে বিভিন্ন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে।

সূত্রগুলোর অভিযোগ, বরুড়া থানায় পুলিশ ক্লিয়ারেন্স সনদ প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অনিয়মের একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে সক্রিয়। অভিযোগকারীরা জানান, থানার পাশের একটি দোকানের মাধ্যমে এবং নির্দিষ্ট কয়েকজন ব্যক্তির সহযোগিতায় ক্লিয়ারেন্সের জন্য আবেদনপ্রত্যাশীদের কাছ থেকে ৫০০ টাকা পর্যন্ত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। একাধিক আবেদন একসঙ্গে জমা পড়লেও যারা অতিরিক্ত টাকা দেন না, তাদের ক্লিয়ারেন্স বিলম্বিত হয়—এমন অভিযোগও পাওয়া গেছে।

থানার ভেতরকার কিছু কর্মকর্তার দাবি, নিয়মিত ডিউটি অফিসাররা অভিযোগ গ্রহণের সময় বিভিন্নভাবে অনাকাঙ্ক্ষিত আর্থিক লেনদেনে বাধ্য হন। অভিযোগ আছে, ডিউটি অফিসাররা যে অতিরিক্ত টাকা পান, তার একটি অংশ ওসি’র কাছে জমা দিতে হয়। এমন পরিস্থিতিকে অনেকেই ‘দৈনন্দিন অভ্যাসে পরিণত হওয়া অনিয়ম’ বলে অভিহিত করেছেন।

সূত্রগুলো আরও বলেন, এসব অনিয়ম ও আর্থিক দুরাচারের কারণে থানার ভেতরে কর্মপরিবেশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং কর্মকর্তাদের মধ্যে অসন্তোষ বাড়ছে। তাদের দাবি, ওসি নাজমুল ইসলামের প্রধান মনোযোগ আর্থিক লেনদেনের দিকে, যা থানার স্বাভাবিক প্রশাসনিক কার্যক্রমকে বিঘ্নিত করছে।

তবে এসব অভিযোগের সত্যতা সম্পর্কে ওসি নাজমুল ইসলামের কোনও বক্তব্য পাওয়া যায়নি। অভিযোগগুলো যাচাইয়ের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন ভুক্তভোগী ও স্থানীয়রা।