১০:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

পাহাড়তলী এলাকার মূর্তিমান আতঙ্কের নাম রকি ও জসিম

  • প্রকাশের সময় : ০১:০০:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 88

বাবলু বড়ুয়া চট্টগ্রাম

চাঁদাবাজি, ছিনতাই ডাকাতি সহ নানা অপকর্মে জড়িত পাহাড়তলী এলাকার এ দু’জন সন্ত্রাসী।

রাত গভীর হলেই এদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। পাহাড়তলীর হাজী ক্যাম্প বর্তমানে নির্জন এলাকা হওয়াতে সেখানে তাদের গোপন আস্তানা রয়েছে বলে জানা যায়।
সম্প্রতি গুঞ্জন উঠেছে এলাকায় বসবাসরত বাড়িঘর, সাধারণ মানুষকেও রীতিমত হয়রানি করছে জসিম ও রকি।

দু জন দু এালকার হলেও একই এলাকায় অপরাধ সংঘটিত করছে বলে জানায় এলাকায়বাসি। মো: জসিম পেশায় একজন গ্রিল ওর্কশপ এর মিস্ত্রী হলেও রাতে এলাকার বিভিন্ন স্থানে গিয়ে চাঁদাবাজি এবং ছিনতাই এর কাজে জড়িত বলছে একাধিক সূত্র। জানা যায় মৃত মুসা মিয়ার পুত্র জসিমের বর্তমান অবস্থান পাহাড়তলী ভেলুয়ার দিঘীর উত্তর পাড়ে হামদুমিয়া কন্টাক্টরের বাড়ি।

এদিকে আর একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে রকি’র নামে বিভিন্ন থানায় হত্যা মামলা সহ চুরি, ছিনতাই ডাকাতি সহ প্রায় তেরটি মামলা রয়েছে। সে জামিনে মুক্তি পেয়ে আরো বেপোরোয়া হয়ে উঠেছে। এই অপরাধীর ঠিকানা পাহাড়তলী সিঙ্গেল কলোনি মসজিদের
পাশের গল্লি, পিতার নাম জয়নাল আবেদিন।

সম্প্রতি পাহাড়তলীর ভেলুয়ার দীঘির পাড় ঘিরে চলচলরত মানুষ জন ছিনতাইয়ের কবল পড়ছে বলে লোকমুখে গুঞ্জন শুনা গেলও, তাদের বিরুদ্ধে থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করার সাহস দেখায় নি। থানা এলাকার বর্ডার এরিয়া হওয়াতে (ডবলমুরিং এবং পাহাড়তলী) এ ধরণের অপরাধীরা আইনের চোখ ফাঁকি দিচ্ছে খুব সহজেই।

সম্প্রতি মো: নেজাম নামের এক ব্যক্তি জানান “জসিম প্রতিদিন আমাকে গালাগালি করে, এলাকায় থাকতে হলে আমাকে চাঁদা দিয়ে থাকতে হবে, নয়ত আমাকে ছুরি মারার হুমকি দিয়েছে” এ বিষয়ে থানায় হুমকি দাতারা বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করেছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি শীগ্রই এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করব।

এ ধরণের অপরাধীদের দৌড়ত থামাতে থানা কর্তৃপক্ষের নিয়মিত অভিযান চলমান বলে জানান পুলিশের উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা।

জনপ্রিয়

কুমিল্লায় পাহাড় কাটায় এক মামলায় ৮ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, এক্সকেভেটর জব্দ

পাহাড়তলী এলাকার মূর্তিমান আতঙ্কের নাম রকি ও জসিম

প্রকাশের সময় : ০১:০০:৪৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ ডিসেম্বর ২০২৫

বাবলু বড়ুয়া চট্টগ্রাম

চাঁদাবাজি, ছিনতাই ডাকাতি সহ নানা অপকর্মে জড়িত পাহাড়তলী এলাকার এ দু’জন সন্ত্রাসী।

রাত গভীর হলেই এদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। পাহাড়তলীর হাজী ক্যাম্প বর্তমানে নির্জন এলাকা হওয়াতে সেখানে তাদের গোপন আস্তানা রয়েছে বলে জানা যায়।
সম্প্রতি গুঞ্জন উঠেছে এলাকায় বসবাসরত বাড়িঘর, সাধারণ মানুষকেও রীতিমত হয়রানি করছে জসিম ও রকি।

দু জন দু এালকার হলেও একই এলাকায় অপরাধ সংঘটিত করছে বলে জানায় এলাকায়বাসি। মো: জসিম পেশায় একজন গ্রিল ওর্কশপ এর মিস্ত্রী হলেও রাতে এলাকার বিভিন্ন স্থানে গিয়ে চাঁদাবাজি এবং ছিনতাই এর কাজে জড়িত বলছে একাধিক সূত্র। জানা যায় মৃত মুসা মিয়ার পুত্র জসিমের বর্তমান অবস্থান পাহাড়তলী ভেলুয়ার দিঘীর উত্তর পাড়ে হামদুমিয়া কন্টাক্টরের বাড়ি।

এদিকে আর একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে যে রকি’র নামে বিভিন্ন থানায় হত্যা মামলা সহ চুরি, ছিনতাই ডাকাতি সহ প্রায় তেরটি মামলা রয়েছে। সে জামিনে মুক্তি পেয়ে আরো বেপোরোয়া হয়ে উঠেছে। এই অপরাধীর ঠিকানা পাহাড়তলী সিঙ্গেল কলোনি মসজিদের
পাশের গল্লি, পিতার নাম জয়নাল আবেদিন।

সম্প্রতি পাহাড়তলীর ভেলুয়ার দীঘির পাড় ঘিরে চলচলরত মানুষ জন ছিনতাইয়ের কবল পড়ছে বলে লোকমুখে গুঞ্জন শুনা গেলও, তাদের বিরুদ্ধে থানায় কেউ লিখিত অভিযোগ করার সাহস দেখায় নি। থানা এলাকার বর্ডার এরিয়া হওয়াতে (ডবলমুরিং এবং পাহাড়তলী) এ ধরণের অপরাধীরা আইনের চোখ ফাঁকি দিচ্ছে খুব সহজেই।

সম্প্রতি মো: নেজাম নামের এক ব্যক্তি জানান “জসিম প্রতিদিন আমাকে গালাগালি করে, এলাকায় থাকতে হলে আমাকে চাঁদা দিয়ে থাকতে হবে, নয়ত আমাকে ছুরি মারার হুমকি দিয়েছে” এ বিষয়ে থানায় হুমকি দাতারা বিরুদ্ধে কোন অভিযোগ করেছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমি শীগ্রই এ বিষয়ে থানায় অভিযোগ করব।

এ ধরণের অপরাধীদের দৌড়ত থামাতে থানা কর্তৃপক্ষের নিয়মিত অভিযান চলমান বলে জানান পুলিশের উর্ধ্বতন এক কর্মকর্তা।