০৮:০৩ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬

বীর নিবাসে ভাড়াটিয়া! ব্রাহ্মণপাড়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : ১০:১৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
  • 95

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সরকারের বরাদ্দ দেওয়া ‘বীর নিবাস’ নিয়ে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ।

উপজেলার নাগাইশ গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমানের নামে বরাদ্দকৃত সরকারি এই ঘরটি ৫০০০ টাকার বিনিময়ে বহিরাগতদের কাছে ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিস্তারিত জানাবো আমাদের প্রতিনিধি…. এর পাঠানো তথ্যে এবং ‘চ্যানেল এইচডি ২৪’-এর বিশেষ প্রতিবেদনে।
​[ভিডিও ফুটেজ শুরু – বীর নিবাসের চিত্র

দেশের সূর্যসন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানার্থে এবং তাঁদের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার দেশজুড়ে নির্মাণ করে দিয়েছে ‘বীর নিবাস’। কিন্তু সেই সম্মানের ঘর যখন ব্যবসার উপাদানে পরিণত হয়, তখন জনমনে ওঠে নানা প্রশ্ন।

​ঘটনাটি কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার নাগাইশ গ্রামের। এখানকার বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান সরকারের পক্ষ থেকে একটি সুসজ্জিত বীর নিবাস বরাদ্দ পেয়েছেন। কিন্তু সরকারি নীতিমালা তোয়াক্কা না করে তিনি সেই ঘরে নিজে না থেকে ৫০০০ টাকার বিনিময়ে বহিরাগত লোকজনকে ভাড়া দিয়ে রেখেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
​[ভিডিও ফুটেজ – বাড়ির গেট এবং ভাড়াটিয়াদের উপস্থিতি (যদি থাকে)]

স্থানীয়রা জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসেবে সরকার যে ব্যয়বহুল ঘর তৈরি করে দিয়েছে, তা ব্যক্তিগতভাবে ভাড়া দেওয়া সম্পূর্ণ অবৈধ এবং অনৈতিক। অথচ বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান দীর্ঘ দিন ধরে এই অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন।

​বিষয়টি নিয়ে ‘চ্যানেল এইচডি ২৪’-এর টিম সরেজমিনে অনুসন্ধান চালায় এবং বীর নিবাসে বহিরাগতদের উপস্থিতির প্রমাণ পায়। ক্যামেরার সামনে কেউ সরাসরি কথা বলতে না চাইলেও নেপথ্যে বীর নিবাসটি ভাড়া দেওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন অনেকেই।

অভিযোগের বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। ৫০০০ টাকা ভাড়ার বিনিময়ে বহিরাগতদের থাকতে দেওয়ার বিষয়টি তিনি নিজের মুখেই কবুল করেন। তবে সরকারি ঘরে ভাড়াটিয়া রাখা যে বিধিসম্মত নয়, সে বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে কোনো সদুত্তর মেলেনি।
​- স্থানীয় প্রশাসন বা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের কোনো

বীর নিবাসের মতো সরকারি প্রকল্পের এমন অপব্যবহার নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহল। তাদের মতে, যেখানে অনেক ভূমিহীন ও অস্বচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধা এখনো সরকারি সুবিধার অপেক্ষায় আছেন, সেখানে প্রাপ্ত সুবিধাকে বাণিজ্যিক কাজে লাগানো প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
​এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী। বীর নিবাসের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে যথাযথ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।

জনপ্রিয়

বীর নিবাসে ভাড়াটিয়া! ব্রাহ্মণপাড়ার বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমানের বিরুদ্ধে অনিয়মের অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ১০:১৫:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলায় বীর মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য সরকারের বরাদ্দ দেওয়া ‘বীর নিবাস’ নিয়ে উঠেছে গুরুতর অভিযোগ।

উপজেলার নাগাইশ গ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমানের নামে বরাদ্দকৃত সরকারি এই ঘরটি ৫০০০ টাকার বিনিময়ে বহিরাগতদের কাছে ভাড়া দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি নিয়ে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। বিস্তারিত জানাবো আমাদের প্রতিনিধি…. এর পাঠানো তথ্যে এবং ‘চ্যানেল এইচডি ২৪’-এর বিশেষ প্রতিবেদনে।
​[ভিডিও ফুটেজ শুরু – বীর নিবাসের চিত্র

দেশের সূর্যসন্তান বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মানার্থে এবং তাঁদের আবাসন সুবিধা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকার দেশজুড়ে নির্মাণ করে দিয়েছে ‘বীর নিবাস’। কিন্তু সেই সম্মানের ঘর যখন ব্যবসার উপাদানে পরিণত হয়, তখন জনমনে ওঠে নানা প্রশ্ন।

​ঘটনাটি কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার নাগাইশ গ্রামের। এখানকার বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান সরকারের পক্ষ থেকে একটি সুসজ্জিত বীর নিবাস বরাদ্দ পেয়েছেন। কিন্তু সরকারি নীতিমালা তোয়াক্কা না করে তিনি সেই ঘরে নিজে না থেকে ৫০০০ টাকার বিনিময়ে বহিরাগত লোকজনকে ভাড়া দিয়ে রেখেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
​[ভিডিও ফুটেজ – বাড়ির গেট এবং ভাড়াটিয়াদের উপস্থিতি (যদি থাকে)]

স্থানীয়রা জানান, বীর মুক্তিযোদ্ধাদের মাথা গোঁজার ঠাঁই হিসেবে সরকার যে ব্যয়বহুল ঘর তৈরি করে দিয়েছে, তা ব্যক্তিগতভাবে ভাড়া দেওয়া সম্পূর্ণ অবৈধ এবং অনৈতিক। অথচ বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান দীর্ঘ দিন ধরে এই অনিয়ম চালিয়ে যাচ্ছেন।

​বিষয়টি নিয়ে ‘চ্যানেল এইচডি ২৪’-এর টিম সরেজমিনে অনুসন্ধান চালায় এবং বীর নিবাসে বহিরাগতদের উপস্থিতির প্রমাণ পায়। ক্যামেরার সামনে কেউ সরাসরি কথা বলতে না চাইলেও নেপথ্যে বীর নিবাসটি ভাড়া দেওয়ার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন অনেকেই।

অভিযোগের বিষয়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমানের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে, তিনি ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেন। ৫০০০ টাকা ভাড়ার বিনিময়ে বহিরাগতদের থাকতে দেওয়ার বিষয়টি তিনি নিজের মুখেই কবুল করেন। তবে সরকারি ঘরে ভাড়াটিয়া রাখা যে বিধিসম্মত নয়, সে বিষয়ে তাঁর পক্ষ থেকে কোনো সদুত্তর মেলেনি।
​- স্থানীয় প্রশাসন বা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডের কোনো

বীর নিবাসের মতো সরকারি প্রকল্পের এমন অপব্যবহার নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সাধারণ মানুষ ও সচেতন মহল। তাদের মতে, যেখানে অনেক ভূমিহীন ও অস্বচ্ছল বীর মুক্তিযোদ্ধা এখনো সরকারি সুবিধার অপেক্ষায় আছেন, সেখানে প্রাপ্ত সুবিধাকে বাণিজ্যিক কাজে লাগানো প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।
​এ বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন এলাকাবাসী। বীর নিবাসের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে যথাযথ তদন্তের দাবি জানানো হয়েছে।