০২:৫০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

কসবার জাজিয়ারায় চুরির অপবাদে চতুর্থ শ্রেণির শিশুকে মারধর ও চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ

  • প্রকাশের সময় : ০৭:৩১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • 54

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা প্রতিনিধি ফয়সাল শিকদার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার জাজিয়ারা এলাকায় রূপার নুপুর চুরির অপবাদ দিয়ে চতুর্থ শ্রেণির এক শিশুকে মারধর, আটকে রাখা এবং জোরপূর্বক মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মো. মালন মিয়া কসবা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশু কুটি লেশিয়ারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা বিভিন্ন এলাকায় আইসক্রিম বিক্রি করেন। কিছুদিন আগে শিশুটির ছোট বোনের পুরোনো রূপার নুপুর বিক্রি করা নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

শিশুটির বাবার অভিযোগ, গত ২ অক্টোবর বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে হেপী বেগম, রনি ও তাদের মাকে আসামি করে উল্লেখ করা ব্যক্তিরা তাদের বাড়িতে গিয়ে শিশুটিকে রূপার নুপুর চুরির অপবাদ দেন। পরে শিশুটিকে টানাহেঁচড়া করে নিজেদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, সেখানে শিশুটিকে এলোপাতাড়ি মারধর ও লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা ও জখম হয় বলে দাবি করেছেন তার বাবা। একপর্যায়ে শিশুটির মাথার চুল জোরপূর্বক কেটে দেওয়া হয় এবং তাকে প্রায় তিন ঘণ্টা একটি ঘরে আটকে রাখা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

শিশুটির বাবা ও তার স্ত্রী তাকে উদ্ধারের জন্য সেখানে গেলে তাদের গালমন্দ করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর সহায়তায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার পর বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে চুরির মামলা দেওয়াসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতির হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেছেন শিশুটির বাবা।

এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কসবা থানার া মোহাম্মদ রাশেদ মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন।

জনপ্রিয়

কসবার জাজিয়ারায় চুরির অপবাদে চতুর্থ শ্রেণির শিশুকে মারধর ও চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ

প্রকাশের সময় : ০৭:৩১:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

ব্রাহ্মণবাড়িয়া কসবা প্রতিনিধি ফয়সাল শিকদার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার জাজিয়ারা এলাকায় রূপার নুপুর চুরির অপবাদ দিয়ে চতুর্থ শ্রেণির এক শিশুকে মারধর, আটকে রাখা এবং জোরপূর্বক মাথার চুল কেটে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা মো. মালন মিয়া কসবা থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিশু কুটি লেশিয়ারা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা বিভিন্ন এলাকায় আইসক্রিম বিক্রি করেন। কিছুদিন আগে শিশুটির ছোট বোনের পুরোনো রূপার নুপুর বিক্রি করা নিয়ে ঘটনার সূত্রপাত বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

শিশুটির বাবার অভিযোগ, গত ২ অক্টোবর বিকেল আনুমানিক ৩টার দিকে হেপী বেগম, রনি ও তাদের মাকে আসামি করে উল্লেখ করা ব্যক্তিরা তাদের বাড়িতে গিয়ে শিশুটিকে রূপার নুপুর চুরির অপবাদ দেন। পরে শিশুটিকে টানাহেঁচড়া করে নিজেদের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

অভিযোগে আরও বলা হয়, সেখানে শিশুটিকে এলোপাতাড়ি মারধর ও লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা ও জখম হয় বলে দাবি করেছেন তার বাবা। একপর্যায়ে শিশুটির মাথার চুল জোরপূর্বক কেটে দেওয়া হয় এবং তাকে প্রায় তিন ঘণ্টা একটি ঘরে আটকে রাখা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়েছে।

শিশুটির বাবা ও তার স্ত্রী তাকে উদ্ধারের জন্য সেখানে গেলে তাদের গালমন্দ করে বাড়ি থেকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। পরে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি ও এলাকাবাসীর সহায়তায় শিশুটিকে উদ্ধার করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় থানায় অভিযোগ করার পর বাদী ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে চুরির মামলা দেওয়াসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষতির হুমকি দেওয়ার অভিযোগও করেছেন শিশুটির বাবা।

এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য কসবা থানার া মোহাম্মদ রাশেদ মামলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন।