১১:১৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

কসবার বায়েক সীমান্তে চোরাচালানের অভিযোগ: স্থানীয়দের উদ্বেগ, প্রশাসনের নজরদারি জোরদারের দাবি

  • প্রকাশের সময় : ১২:০৫:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬
  • 73

নিজস্ব প্রতিবেবক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা

সীমান্তবর্তী বারেক ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় পণ্য ও মাদক চোরাচালানের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ওরামপুর মাজারােইট, ন্টেশন রোড, চান্দা ৯ এস বাইপাস সড়ক এবং মন্দভাগ রেলওয়ে সংলগ্ন এলাকাকে কেন্দ্র করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে দিন ও রাতের বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে ভারতীয় পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। এসব পণ্য পরে সড়ক ও রেলপথ ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, চোরাচালান কার্যক্রমের প্রতিবাদ করলে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে থাকে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রফিকুল ইসলাম, হেরা আলী ও আশিক মেযারের বিরুদ্ধে অতীতেও বিভিন্ন অভিযোগ উস্তাপিত হয়েছে এবং এ বিষয়ে থানায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের মতে, মন্দভাগ রেলওয়ে সংলগ্ন এলাকা চোরাচালানের জন্য একটি গুরুস্তুম্বুর্ধ রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধার কারণে অবৈধ মালামাল সহজেই দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে কসবা-আখাউড়া আসনের সংসদ সদস্য দায়িত্ব প্রহণের পর মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতি ঘোষণা করেন। এরপরও কিছু অসাধু চক্র প্রশাসনের নজরদারি এড়িয়ে এবং প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, মাদক ও চোরাচালানের কারণে যুবসমাজ বিপথগামী হচ্ছে এবং অনেক পরিরার সামাজিক ও অর্থনৈতিকভারে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা সীমান্ত এলাকায় আরও

অভিগপিত চোরাকাররারী চক্রের সদস্যদের একটি ছবি (বাম থেকে): নিরা আলী, রফিকুল ইসলাম ও আশিক মেষার

চোরাকাররার ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

প্রশাসন, কসবা উপজেলা

(বি:দ্র: অভিযোগের বিরুদ্ধে উত্তাপিত অভিযোগগুলোর যাঘীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন।

জনপ্রিয়

কসবার বায়েক সীমান্তে চোরাচালানের অভিযোগ: স্থানীয়দের উদ্বেগ, প্রশাসনের নজরদারি জোরদারের দাবি

প্রকাশের সময় : ১২:০৫:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৫ জুন ২০২৬

নিজস্ব প্রতিবেবক: ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা

সীমান্তবর্তী বারেক ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে ভারতীয় পণ্য ও মাদক চোরাচালানের অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের দাবি, ওরামপুর মাজারােইট, ন্টেশন রোড, চান্দা ৯ এস বাইপাস সড়ক এবং মন্দভাগ রেলওয়ে সংলগ্ন এলাকাকে কেন্দ্র করে একটি সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় রয়েছে।

স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, সীমান্তের বিভিন্ন পয়েন্ট দিয়ে দিন ও রাতের বিভিন্ন সময়ে অবৈধভাবে ভারতীয় পণ্য বাংলাদেশে প্রবেশ করছে। এসব পণ্য পরে সড়ক ও রেলপথ ব্যবহার করে দেশের বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হয় বলে অভিযোগ রয়েছে।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, চোরাচালান কার্যক্রমের প্রতিবাদ করলে কিছু প্রভাবশালী ব্যক্তি হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করে থাকে। স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, রফিকুল ইসলাম, হেরা আলী ও আশিক মেযারের বিরুদ্ধে অতীতেও বিভিন্ন অভিযোগ উস্তাপিত হয়েছে এবং এ বিষয়ে থানায় একাধিক অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

স্থানীয়দের মতে, মন্দভাগ রেলওয়ে সংলগ্ন এলাকা চোরাচালানের জন্য একটি গুরুস্তুম্বুর্ধ রুট হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। যোগাযোগ ব্যবস্থার সুবিধার কারণে অবৈধ মালামাল সহজেই দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে দেওয়া সম্ভব হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

এদিকে কসবা-আখাউড়া আসনের সংসদ সদস্য দায়িত্ব প্রহণের পর মাদক ও চোরাচালানের বিরুদ্ধে “জিরো টলারেন্স” নীতি ঘোষণা করেন। এরপরও কিছু অসাধু চক্র প্রশাসনের নজরদারি এড়িয়ে এবং প্রভাবশালী মহলের ছত্রছায়ায় অবৈধ কর্মকাণ্ড চালিয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, মাদক ও চোরাচালানের কারণে যুবসমাজ বিপথগামী হচ্ছে এবং অনেক পরিরার সামাজিক ও অর্থনৈতিকভারে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তারা সীমান্ত এলাকায় আরও

অভিগপিত চোরাকাররারী চক্রের সদস্যদের একটি ছবি (বাম থেকে): নিরা আলী, রফিকুল ইসলাম ও আশিক মেষার

চোরাকাররার ও মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

প্রশাসন, কসবা উপজেলা

(বি:দ্র: অভিযোগের বিরুদ্ধে উত্তাপিত অভিযোগগুলোর যাঘীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্যতা যাচাই করা প্রয়োজন।