
গোলাম কিবরিয়া কুমিল্লা প্রতিনিধি- কুমিল্লা কোটবাড়ি মনিপুর জমি নিয়ে বিরোধ ভূমি দস্যু, চাঁদাবাজ, মাদক ও ইয়াবা ব্যবসায়ীরা মিথ্যা মামলা করে প্রাণনাশের হুমকি প্রদান করে। ভূমিদস্যু লিটন, রফিক ও কোহিনূর বেগম সহ তার অন্যান্য সাঙ্গো পাঙ্গু তাদের বিরুদ্ধে আইনগত প্রতিকার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন।
আমি রাবেয়া খাতুন। কুমিল্লা জেলার সদর দক্ষিণ থানার মনিপুর মৌজায় আমার ও আমার পরিবারের ভোগদখলীয় সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কয়েকজনের সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে।
আমার অভিযোগ, অভিযুক্তরা একই এলাকার বাসিন্দা এবং দীর্ঘদিন ধরে আমাদের সম্পত্তি থেকে উচ্ছেদ করার চেষ্টা করে আসছেন।
এমনকি আমার মায়ের দলিল মৃলে মালিক এবং আমাদের ভোগদখলে থাকা সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে এবং চলাচলে রাস্তাটি বন্ধ করিয়ে দেয়।
অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, আমাদের বাড়ির সামনে ময়লা ফেলা এবং বিভিন্নভাবে হয়রানি করা হয়।
এ বিষয়ে প্রতিবাদ করায় অভিযুক্তরা আমাদের অকথ্য ভাষায় গালাগাল করেন এবং মারধরসহ প্রাণনাশের হুমকি দেন বলে অভিযোগ আমার।
২০২৪ সালের ৯ সেপ্টেম্বর সকাল আনুমানিক ১০টার দিকে অভিযুক্তরা আমাদের ভোগদখলীয় জায়গায় এসে জোরপূর্বক দখলে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করেন এবং লিটন,রফিক,ও কোহিনুর বেগম সহ তার অন্য অন্য সহকর্মীদের বিরুদ্ধে থানায় ও আদালতে মামলার একা দিক অভিযোগ রয়েছে।
এ সময় সন্ত্রা,চাঁদাবাজ,ভৃমি দস্যু আমাদের সীমানা বেড়া উপড়ে ফেলা, ভাঙচুর করা এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি করে আসছে।
আমি ও আমার মা এতে বাধা দিলে আমাদের গালাগালি করে এবং প্রয়োজনীয় দলিলপত্র না দিলে আমাদের জীবননাশের হুমকি দেয়।
ভূমি দস্যুর আমার এই বাড়ীর দলিল নেওয়ার জন্য জবরদস্তি করে এবং এলাকা ছেড়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ভাবে সন্ত্রাসীদের দিয়ে হয়রানি চুরি ডাকাতি করিয়েছে এবং বর্তমান ডাকাতির মামলা কোটে চলমান।
মাদক ও ইয়াবা মামলার আসামি মোঃ রফিক (৪৫) পিতা মৃত আঃ রহিম মিয়া সাং মনিপুর, কুমিল্লা
সিটি কর্পোরেশন দরবারের রায় উভয় পক্ষে উক্ত রায় মানিয়া চলিবে মর্মে শান্তি বজায় রাখিবে কিন্তু বাদী পক্ষ উক্ত রায় অমান্য করে সীমানা উপড়িয়ে ফেলায় এবং প্রাণনাশের হুমকি দেয়।
মিথ্যা মামলা জড়িয়ে দিবে বলে
তখন আমি আমাকে এবং আমার সম্পত্তির রক্ষার্থে আদালতের দারস্ত হই। মামলা করি মামলা নাম্বার ৮২৩/১৬
ফৌজদারী কার্যবিধি ধারা ১০৭/১১৭/সি১১৪ ধারা আমার পক্ষে রায় আসে। পরে তারা ভবিষ্যতে প্রথম পক্ষের সাথে কোন প্রকার শান্তি ভঙ্গ করবে না
কিন্তু পরবর্তীতে ৯নং আসামির পি,আর-৮২৩/১৬ মামলার আসামী কোহিনূর বেগম স্বামী রফিক মিয়া নারী ও শিশু মিথ্যা মামলা আমাকে জড়িয়ে দেয়।
আবার কোহিনুর বেগম নিজে অর্থের বিনিময় মামলা প্রত্যাহার করে নেয়। এবং পুনরায় আবারো
২২/২/২০২৬ অন্য সাথে ঝগড়া বিবাদ ঘটাইয়া পুনরায় আবার আমাকে ১২৫/২০২৬ ইং মামলা দেয় ২ নং আসামির করে।
মামলার তদন্ত বার পি ভি আই কে দেওয়া হয় পিবি আই তদন্ত করে দেখে আমি ঘটনার সাথে জড়িত না পরে মামলার প্রতিবেদন দাখিল করে। পুনরায় আমাকে সম্মান হানি করার জন্য কোর্টে সমন জারি করে।
আমি বিভিন্ন মিথ্যা মামলা থেকে নিজেকে ও আমার পরিবারকে মিথ্যা মামলা থেকে বাঁচার জন্য আপনাদের দার অস্থির হই
এবং তারা আমাকে এবং আমার মা’কে বলে সম্পত্তি যদি না দেওয়া হয় তাহলে আমাদের কে বাঁচতে দিবে না।
এ ঘটনায় আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। সম্পত্তির দখলকে কেন্দ্র করে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের সংঘর্ষ বা আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটতে পারে বলেও আমরা আশঙ্কা করছি।
আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল আইন কে আমরা সম্মান করি আইনের উর্ধে কেউ না তাই সন্ত্রাস চাঁদাবাজ বাহিনী ভূমি দস্যু এদেরকে আইনের আওতায় এরে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হোক যাতে করে এ ধরনের চাঁদাবাজি সন্ত্রাসী ভূমি দস্যু জোরপূর্বক ভাবে জমিজমা দখল করতে না পারে।
আমরা কোনো সংঘাত চাই না। আমরা চাই আইনের মাধ্যমে ন্যায়বিচার এবং আমাদের জানমালের নিরাপত্তা।এবং
সাংবাদিক ভাই-বোনদের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি, যাতে বিষয়টি গুরুত্বসহকারে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়।


















