০৫:৫৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ জানুয়ারী ২০২৬

চুলকাটিতে কাগজপত্রবিহীন গো-খাদ্য কারখানা সাংবাদিকদের হুমকি–ধামকি প্রোপ্রাইটারের

  • প্রকাশের সময় : ০৮:৩২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • 57

তরিকুল মোল্লা, বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের চুলকাটি বাজার এলাকায় খুলনা–মোংলা মহাসড়কের পাশে প্রয়োজনীয় কোনো লাইসেন্স বা কাগজপত্র ছাড়াই ‘চুলকাটি সাইলেজ ঘর’ নামে একটি গো-খাদ্য (ভুট্টার সাইলেজ) তৈরির কারখানা পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কারখানাটির প্রোপ্রাইটর শেখ ইব্রাহিম। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে কোনো সরকারি অনুমোদন, পরিবেশ ছাড়পত্র, লাইসেন্স বা খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত নথি ছাড়াই সাইলেজ উৎপাদন করছে—এমন অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে ঘটনাস্থলে যান কয়েকজন স্থানীয় সাংবাদিক। তারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চাইলে কারখানার মালিক শেখ ইব্রাহিম বিভিন্নভাবে হুমকি–ধামকি ও অশোভন আচরণ করেন বলে অভিযোগ করেছেন সাংবাদিকরা।

কারখানার কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে কারখানার সঙ্গে যুক্ত গবাদিপশুর চিকিৎসক ইনামুল হক–এর কাছে জানতে চাইলে তিনি স্বীকার করেন যে—কারখানার কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই পরীক্ষামূলকভাবে ভুট্টার সাইলেজ তৈরি করা হচ্ছে, সাংবাদিকদের ‘ম্যানেজ’ করারও চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে বাগেরহাট জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন— গো-খাদ্য উৎপাদন বা সাইলেজ তৈরির ক্ষেত্রে লাইসেন্স, মান নিয়ন্ত্রণ সনদ ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অনুমোদন বাধ্যতামূলক। কাগজপত্র ছাড়া উৎপাদন করা সম্পূর্ণ অবৈধ। অভিযোগ পেলে বা তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানায়, লাইসেন্সবিহীন, মান–নিয়ন্ত্রণহীন পশুখাদ্য উৎপাদন জনস্বাস্থ্যের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ। প্রয়োজন হলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, লাইসেন্স ছাড়া এই ধরনের কারখানা পরিচালনা করলে, পশুখাদ্যের মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে গবাদিপশু অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে, সাধারণ খামারিদের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।

তারা অবৈধ কারখানাটির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

জনপ্রিয়

কুমিল্লায় পাহাড় কাটায় এক মামলায় ৮ লাখ টাকা অর্থদণ্ড, এক্সকেভেটর জব্দ

চুলকাটিতে কাগজপত্রবিহীন গো-খাদ্য কারখানা সাংবাদিকদের হুমকি–ধামকি প্রোপ্রাইটারের

প্রকাশের সময় : ০৮:৩২:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১০ ডিসেম্বর ২০২৫

তরিকুল মোল্লা, বাগেরহাট প্রতিনিধি

বাগেরহাটের চুলকাটি বাজার এলাকায় খুলনা–মোংলা মহাসড়কের পাশে প্রয়োজনীয় কোনো লাইসেন্স বা কাগজপত্র ছাড়াই ‘চুলকাটি সাইলেজ ঘর’ নামে একটি গো-খাদ্য (ভুট্টার সাইলেজ) তৈরির কারখানা পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

কারখানাটির প্রোপ্রাইটর শেখ ইব্রাহিম। প্রতিষ্ঠানটি দীর্ঘদিন ধরে কোনো সরকারি অনুমোদন, পরিবেশ ছাড়পত্র, লাইসেন্স বা খাদ্য নিরাপত্তা সংক্রান্ত নথি ছাড়াই সাইলেজ উৎপাদন করছে—এমন অভিযোগে স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে ঘটনাস্থলে যান কয়েকজন স্থানীয় সাংবাদিক। তারা প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেখতে চাইলে কারখানার মালিক শেখ ইব্রাহিম বিভিন্নভাবে হুমকি–ধামকি ও অশোভন আচরণ করেন বলে অভিযোগ করেছেন সাংবাদিকরা।

কারখানার কার্যক্রম সম্পর্কে জানতে কারখানার সঙ্গে যুক্ত গবাদিপশুর চিকিৎসক ইনামুল হক–এর কাছে জানতে চাইলে তিনি স্বীকার করেন যে—কারখানার কোনো বৈধ কাগজপত্র নেই পরীক্ষামূলকভাবে ভুট্টার সাইলেজ তৈরি করা হচ্ছে, সাংবাদিকদের ‘ম্যানেজ’ করারও চেষ্টা করা হয়েছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে বাগেরহাট জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন— গো-খাদ্য উৎপাদন বা সাইলেজ তৈরির ক্ষেত্রে লাইসেন্স, মান নিয়ন্ত্রণ সনদ ও নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের অনুমোদন বাধ্যতামূলক। কাগজপত্র ছাড়া উৎপাদন করা সম্পূর্ণ অবৈধ। অভিযোগ পেলে বা তদন্তে প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের একটি সূত্র জানায়, লাইসেন্সবিহীন, মান–নিয়ন্ত্রণহীন পশুখাদ্য উৎপাদন জনস্বাস্থ্যের জন্যও ঝুঁকিপূর্ণ। প্রয়োজন হলে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, লাইসেন্স ছাড়া এই ধরনের কারখানা পরিচালনা করলে, পশুখাদ্যের মান নিয়ে প্রশ্ন ওঠে গবাদিপশু অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে, সাধারণ খামারিদের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়।

তারা অবৈধ কারখানাটির বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।