১২:০১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

ট্যুরিস্ট ভিসায় এসে স্যাটেলাইট চ্যানেলে রাজত্ব! কার খুঁটির জোরে চলছে এই অনিয়ম

  • প্রকাশের সময় : ০৩:১৯:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬
  • 41

ডেক্স নিউজ 

আইন-কানুন আর প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে মোহনা টিভি নামে একটি বেসরকারি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলে ঘটে চলেছে নজিরবিহীন অনিয়ম।

অভিযোগের কেন্দ্রে থাকা লরি এমদাদ একজন মার্কিন নাগরিক এবং বিগত স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকারের সুবিধাভোগী। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে হাসিনা সরকারের পতনের পর গা-ঢাকা দিলেও গত জুলাই মাসে তিনি ট্যুরিস্ট ভিসায় দেশে ফেরেন। কিন্তু দেশে ফিরেই কোনো ওয়ার্ক পারমিট ছাড়াই রহস্যজনকভাবে যুক্ত হন মোহনা টিভিতে, এবং অল্প সময়ের মধ্যেই শুরু করেন একচ্ছত্র আধিপত্য।

অনিয়ম ও আর্থিক অস্বচ্ছতার চিত্র:

  • বেআইনি কর্মসংস্থান: মার্কিন নাগরিক হিসেবে ট্যুরিস্ট ভিসায় এসে কোনো বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ছাড়াই একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলে দায়িত্ব পালন করছেন।

  • বেতন প্রদানে জালিয়াতি: বিদেশি নাগরিক হওয়ায় এবং স্থানীয় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট না থাকায় তিনি নিজের নামে বেতন নেন না; অর্থ স্থানান্তর হচ্ছে তাঁর ছেলে কাদিনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। এভাবে ট্যাক্স ফাঁকি ও অর্থ পাচারের ক্ষেত্র তৈরি করা হচ্ছে।

  • স্বার্থের সংঘাত ও লুটপাট: তাঁর মেয়ে বুশরা প্রতিষ্ঠানটির ডিএমডি হিসেবে মোটা অঙ্কের বেতন নিচ্ছেন। শুধু তা-ই নয়, মোহনা টিভির নিজস্ব ভবনের ভাড়াও নাকি তাঁর মেয়ের পকেটেই যাচ্ছে!

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের কাছে আমাদের প্রশ্ন:

১. বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া একজন বিদেশি নাগরিক কীভাবে একটি পূর্ণাঙ্গ গণমাধ্যমে প্রকাশ্যে কাজ করছেন?

২. ছেলের অ্যাকাউন্টে বেতন নিয়ে রাজস্ব ফাঁকি ও অর্থ দেশের বাইরে পাঠানোর এই প্রক্রিয়ায় কার কার মদদ রয়েছে?

৩. স্বৈরাচারের দোসরদের পুনর্বাসন এবং এই স্বেচ্ছাচারিতার নেপথ্যে কার খুঁটির জোর কাজ করছে?

আইন সবার জন্য সমান হলে এই অনিয়ম ও রাজস্ব ফাঁকির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও তদারকি কর্তৃপক্ষের অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

জনপ্রিয়

ট্যুরিস্ট ভিসায় এসে স্যাটেলাইট চ্যানেলে রাজত্ব! কার খুঁটির জোরে চলছে এই অনিয়ম

প্রকাশের সময় : ০৩:১৯:০০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬

ডেক্স নিউজ 

আইন-কানুন আর প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে মোহনা টিভি নামে একটি বেসরকারি স্যাটেলাইট টিভি চ্যানেলে ঘটে চলেছে নজিরবিহীন অনিয়ম।

অভিযোগের কেন্দ্রে থাকা লরি এমদাদ একজন মার্কিন নাগরিক এবং বিগত স্বৈরাচারী আওয়ামী সরকারের সুবিধাভোগী। ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে হাসিনা সরকারের পতনের পর গা-ঢাকা দিলেও গত জুলাই মাসে তিনি ট্যুরিস্ট ভিসায় দেশে ফেরেন। কিন্তু দেশে ফিরেই কোনো ওয়ার্ক পারমিট ছাড়াই রহস্যজনকভাবে যুক্ত হন মোহনা টিভিতে, এবং অল্প সময়ের মধ্যেই শুরু করেন একচ্ছত্র আধিপত্য।

অনিয়ম ও আর্থিক অস্বচ্ছতার চিত্র:

  • বেআইনি কর্মসংস্থান: মার্কিন নাগরিক হিসেবে ট্যুরিস্ট ভিসায় এসে কোনো বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ছাড়াই একটি স্যাটেলাইট চ্যানেলে দায়িত্ব পালন করছেন।

  • বেতন প্রদানে জালিয়াতি: বিদেশি নাগরিক হওয়ায় এবং স্থানীয় ব্যাংক অ্যাকাউন্ট না থাকায় তিনি নিজের নামে বেতন নেন না; অর্থ স্থানান্তর হচ্ছে তাঁর ছেলে কাদিনের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে। এভাবে ট্যাক্স ফাঁকি ও অর্থ পাচারের ক্ষেত্র তৈরি করা হচ্ছে।

  • স্বার্থের সংঘাত ও লুটপাট: তাঁর মেয়ে বুশরা প্রতিষ্ঠানটির ডিএমডি হিসেবে মোটা অঙ্কের বেতন নিচ্ছেন। শুধু তা-ই নয়, মোহনা টিভির নিজস্ব ভবনের ভাড়াও নাকি তাঁর মেয়ের পকেটেই যাচ্ছে!

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসনের কাছে আমাদের প্রশ্ন:

১. বৈধ ওয়ার্ক পারমিট ছাড়া একজন বিদেশি নাগরিক কীভাবে একটি পূর্ণাঙ্গ গণমাধ্যমে প্রকাশ্যে কাজ করছেন?

২. ছেলের অ্যাকাউন্টে বেতন নিয়ে রাজস্ব ফাঁকি ও অর্থ দেশের বাইরে পাঠানোর এই প্রক্রিয়ায় কার কার মদদ রয়েছে?

৩. স্বৈরাচারের দোসরদের পুনর্বাসন এবং এই স্বেচ্ছাচারিতার নেপথ্যে কার খুঁটির জোর কাজ করছে?

আইন সবার জন্য সমান হলে এই অনিয়ম ও রাজস্ব ফাঁকির বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও তদারকি কর্তৃপক্ষের অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।