০১:৩২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬

বেনাপোল-শার্শায় ঈদ বাজারে মসলার চাহিদা বেড়েছে

  • প্রকাশের সময় : ০২:৩০:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬
  • 34

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি:  পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে যশোরের শার্শা ও বেনাপোলের মসলার বাজারগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা না থাকলেও আদা ও কিছু গরম মসলার দাম বেশ চড়া।

বুধবার (২৭ মে) থেকে বেনাপোলে বাজারে প্রতি কেজি জিরা ৬২০-৭০০ টাকা, এলাচ ৪,৫০০-৫,৩০০ টাকা, লবঙ্গ ১,৪৫০-১,৬০০ টাকা এবং দারুচিনি ৪৫০-৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রান্নার অন্যতম প্রধান উপকরণ আদা বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকা কেজি দরে। তবে পেঁয়াজ (৪০-৫০ টাকা) ও রসুনের (৮০-১৬০ টাকা) দাম অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদ ঘনিয়ে আসায় গত দুই সপ্তাহে মসলার বেচাকেনা প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। অনেকেই শেষ মুহূর্তের ভিড় এড়াতে পুরো মাসের প্রয়োজনীয় মসলা একসঙ্গে কিনে রাখছেন। তবে মূল বাজারের তুলনায় পাড়া-মহল্লার ছোট দোকানগুলোতে প্রতি কেজি মসলায় ২০ থেকে ৫০ টাকা এবং এলাচ ও লবঙ্গের মতো দামি মসলায় কেজিতে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন সাধারণ ক্রেতারা।

এদিকে ঈদ বাজারে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তৈরি করেছে ভেজাল মসলা। অধিক লাভের আশায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী হলুদে টেক্সটাইল রং, মরিচে ইটের গুঁড়া এবং ধনিয়া ও জিরায় কাঠের গুঁড়া বা খৈল মেশাচ্ছে বলে ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এসব রাসায়নিকযুক্ত মসলা লিভার ও কিডনির মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।

শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ জানান, ঈদ উপলক্ষে বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। কৃত্রিম সংকট তৈরি বা ভেজাল মসলা বিক্রির প্রমাণ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে

জনপ্রিয়

নওগাঁয় মাদক’বিরোধী অভি’যানে গাঁ’জার গাছসহ এক ব্যক্তি গ্রেফ’তার

বেনাপোল-শার্শায় ঈদ বাজারে মসলার চাহিদা বেড়েছে

প্রকাশের সময় : ০২:৩০:০৮ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ মে ২০২৬

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি:  পবিত্র ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে যশোরের শার্শা ও বেনাপোলের মসলার বাজারগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকায় বাজারে বড় ধরনের অস্থিরতা না থাকলেও আদা ও কিছু গরম মসলার দাম বেশ চড়া।

বুধবার (২৭ মে) থেকে বেনাপোলে বাজারে প্রতি কেজি জিরা ৬২০-৭০০ টাকা, এলাচ ৪,৫০০-৫,৩০০ টাকা, লবঙ্গ ১,৪৫০-১,৬০০ টাকা এবং দারুচিনি ৪৫০-৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। রান্নার অন্যতম প্রধান উপকরণ আদা বিক্রি হচ্ছে ২০০-২২০ টাকা কেজি দরে। তবে পেঁয়াজ (৪০-৫০ টাকা) ও রসুনের (৮০-১৬০ টাকা) দাম অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ব্যবসায়ীরা জানান, ঈদ ঘনিয়ে আসায় গত দুই সপ্তাহে মসলার বেচাকেনা প্রায় দ্বিগুণ বেড়েছে। অনেকেই শেষ মুহূর্তের ভিড় এড়াতে পুরো মাসের প্রয়োজনীয় মসলা একসঙ্গে কিনে রাখছেন। তবে মূল বাজারের তুলনায় পাড়া-মহল্লার ছোট দোকানগুলোতে প্রতি কেজি মসলায় ২০ থেকে ৫০ টাকা এবং এলাচ ও লবঙ্গের মতো দামি মসলায় কেজিতে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত অতিরিক্ত নেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন সাধারণ ক্রেতারা।

এদিকে ঈদ বাজারে সবচেয়ে বড় উদ্বেগ তৈরি করেছে ভেজাল মসলা। অধিক লাভের আশায় কিছু অসাধু ব্যবসায়ী হলুদে টেক্সটাইল রং, মরিচে ইটের গুঁড়া এবং ধনিয়া ও জিরায় কাঠের গুঁড়া বা খৈল মেশাচ্ছে বলে ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন।

চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, এসব রাসায়নিকযুক্ত মসলা লিভার ও কিডনির মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করছে।

শার্শা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ফজলে ওয়াহিদ জানান, ঈদ উপলক্ষে বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। কৃত্রিম সংকট তৈরি বা ভেজাল মসলা বিক্রির প্রমাণ পেলে জড়িতদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে