১১:৩৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০২৬

মুরাদনগরে নির্মাণাধীন সড়ক নিয়ে ‘মিথ্যা’চারের’ প্রতি’বাদ, অনিয়’মের অভি’যোগ নাকচ এলাকাবাসীর

  • প্রকাশের সময় : ১০:৪৩:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬
  • 71

শাহ সাহিদ উদ্দিন কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার একটি নির্মাণাধীন গ্রামীণ সড়ককে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো অনিয়মের অভিযোগকে ‘মিথ্যাচার’ দাবি করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সোমবার (২২ জুন) বিকেলে উপজেলার পাঁচকিত্তা ইউনিয়নের হারপাকনা-মোস্তফাপুর এলাকার বিপুলসংখ্যক মানুষ এ প্রতিবাদে অংশ নেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হারপাকনা-মোস্তফাপুর সড়কটির দৈর্ঘ্য এক কিলোমিটার হওয়ার কথা ছিল। তবে এক নারী তার জমির ওপর দিয়ে সড়ক নির্মাণে আপত্তি জানানোয় বর্তমানে ৬২০ মিটার দৈর্ঘ্যের ও ১০ ফুট প্রশস্ত সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে।

এদিকে স্থানীয় এক যুবক সড়ক নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ তুলে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। তবে এলাকাবাসী এ অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।

পাঁচকিত্তা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ইব্রাহিম মিয়া বলেন, “হারপাকনা-মোস্তফাপুর গ্রামের উন্নয়ন একটি পক্ষ চায় না। সে কারণেই এমন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমরা গ্রামবাসী নিজেরা কাজ দেখেছি, কোথাও কোনো অনিয়ম হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ভিডিও ছড়ানো হয়েছে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এসে সরেজমিনে কাজ দেখে যেতে পারেন।”

স্থানীয় বাসিন্দা পারভেজ ও আল-আমিন জানান, সড়ক নির্মাণের শুরু থেকেই গ্রামের তরুণরা কাজটি তদারকি করছেন। তাদের দাবি, কোনো ধরনের অনিয়ম চোখে পড়েনি। কোথাও ত্রুটি দেখা গেলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানও করা হয়েছে।

তারা বলেন, “একটি পক্ষ চায় না আমাদের গ্রামের এই সড়কটি নির্মিত হোক। তাই তারা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং গ্রামের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে চাই।”

অভিযোগকারী যুবক ইয়াসিন আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। পরে নিজ এলাকায় যাওয়ার অনুরোধ করেন। সেখানে উপস্থিত হয়ে তিনি বলেন, “আমি ভিডিও ডিলিট করে দেব। আর যদি কাজ ঠিক হয়ে থাকে, সেটাও আমরা দেখব।”

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফয়সাল বারী বলেন, “সড়কটির নির্মাণকাজে সার্বক্ষণিক একজন সাইড ইঞ্জিনিয়ার দায়িত্ব পালন করছেন। আমিও নিয়মিত কাজের অগ্রগতি ও মান যাচাই করি। কেউ যদি নির্মাণাধীন সড়কের পাশের কংক্রিট তুলে অনিয়মের অভিযোগ করে, তাহলে বলার কিছু থাকে না। সড়কে পিচ ঢালাইয়ের নির্ধারিত পুরুত্ব ৪০ মিলিমিটার হলেও আমরা ৪৫ থেকে ৪৬ মিলিমিটার পেয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, সড়ক নির্মাণে নির্ধারিত মান বজায় রেখেই কাজ এগিয়ে চলছে।

জনপ্রিয়

মুরাদনগরে নির্মাণাধীন সড়ক নিয়ে ‘মিথ্যা’চারের’ প্রতি’বাদ, অনিয়’মের অভি’যোগ নাকচ এলাকাবাসীর

প্রকাশের সময় : ১০:৪৩:৫৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬

শাহ সাহিদ উদ্দিন কুমিল্লা মুরাদনগর উপজেলার একটি নির্মাণাধীন গ্রামীণ সড়ককে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো অনিয়মের অভিযোগকে ‘মিথ্যাচার’ দাবি করে এর প্রতিবাদ জানিয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। সোমবার (২২ জুন) বিকেলে উপজেলার পাঁচকিত্তা ইউনিয়নের হারপাকনা-মোস্তফাপুর এলাকার বিপুলসংখ্যক মানুষ এ প্রতিবাদে অংশ নেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হারপাকনা-মোস্তফাপুর সড়কটির দৈর্ঘ্য এক কিলোমিটার হওয়ার কথা ছিল। তবে এক নারী তার জমির ওপর দিয়ে সড়ক নির্মাণে আপত্তি জানানোয় বর্তমানে ৬২০ মিটার দৈর্ঘ্যের ও ১০ ফুট প্রশস্ত সড়ক নির্মাণ করা হচ্ছে।

এদিকে স্থানীয় এক যুবক সড়ক নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগ তুলে একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশ করেন। তবে এলাকাবাসী এ অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন।

পাঁচকিত্তা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য ইব্রাহিম মিয়া বলেন, “হারপাকনা-মোস্তফাপুর গ্রামের উন্নয়ন একটি পক্ষ চায় না। সে কারণেই এমন অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। আমরা গ্রামবাসী নিজেরা কাজ দেখেছি, কোথাও কোনো অনিয়ম হয়নি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিথ্যা ভিডিও ছড়ানো হয়েছে। প্রয়োজনে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এসে সরেজমিনে কাজ দেখে যেতে পারেন।”

স্থানীয় বাসিন্দা পারভেজ ও আল-আমিন জানান, সড়ক নির্মাণের শুরু থেকেই গ্রামের তরুণরা কাজটি তদারকি করছেন। তাদের দাবি, কোনো ধরনের অনিয়ম চোখে পড়েনি। কোথাও ত্রুটি দেখা গেলে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং দ্রুত সমাধানও করা হয়েছে।

তারা বলেন, “একটি পক্ষ চায় না আমাদের গ্রামের এই সড়কটি নির্মিত হোক। তাই তারা বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়াচ্ছে। আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই এবং গ্রামের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে চাই।”

অভিযোগকারী যুবক ইয়াসিন আহমেদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি প্রথমে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। পরে নিজ এলাকায় যাওয়ার অনুরোধ করেন। সেখানে উপস্থিত হয়ে তিনি বলেন, “আমি ভিডিও ডিলিট করে দেব। আর যদি কাজ ঠিক হয়ে থাকে, সেটাও আমরা দেখব।”

এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী কাজী ফয়সাল বারী বলেন, “সড়কটির নির্মাণকাজে সার্বক্ষণিক একজন সাইড ইঞ্জিনিয়ার দায়িত্ব পালন করছেন। আমিও নিয়মিত কাজের অগ্রগতি ও মান যাচাই করি। কেউ যদি নির্মাণাধীন সড়কের পাশের কংক্রিট তুলে অনিয়মের অভিযোগ করে, তাহলে বলার কিছু থাকে না। সড়কে পিচ ঢালাইয়ের নির্ধারিত পুরুত্ব ৪০ মিলিমিটার হলেও আমরা ৪৫ থেকে ৪৬ মিলিমিটার পেয়েছি।”

তিনি আরও বলেন, সড়ক নির্মাণে নির্ধারিত মান বজায় রেখেই কাজ এগিয়ে চলছে।