০৯:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬

শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি, সম্মাননা পেলেন সহকারী অধ্যাপক শীলা প্রাং

  • প্রকাশের সময় : ০৯:৩০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬
  • 32

মোঃ মোসলেম উদ্দিন সিরাজী  সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার চৌবাড়ী ড. সালাম জাহানারা ডিগ্রি কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শীলা প্রাং শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মকাণ্ড,শিক্ষা উন্নয়ন এবং সৃজনশীল অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্রে ভূষিত হয়েছেন। সম্প্রতি কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত প্রথম পুনর্মিলনী-২০২৬ অনুষ্ঠানে তাঁকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও সাবেক অধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল আজিজ সরকার এবং অধ্যক্ষ মোঃ জোনায়েদ হোসেন তাঁর হাতে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র তুলে দিয়েছেন। এই সময়ে উপস্থিত ছিলেন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য ও গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি ফিরোজ মিয়া, দাতা সদস্য গোলাম আযম চৌধুরী (দীপু), গভর্নিং বডির অন্যান্য সদস্য,শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিপুল সংখ্যক প্রাক্তন শিক্ষার্থী। ​শীলা প্রাং দীর্ঘদিন ধরে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপন,সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং সৃজনশীল চর্চায় সম্পৃক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও কার্যক্রমে সাফল্য অর্জন করেছে। শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি টানা চার বছর ২০২২, ২০২৩,২০২৪ ও ২০২৫ সালে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া ২০২৩ সালে সিরাজগঞ্জ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক সম্মাননা লাভ করেছেন। নারী শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ জয়িতা’ সম্মাননা অর্জন করেছেন এবং ২০২২ সালে বিভাগীয় পর্যায়ে রানার-আপ জয়িতা নির্বাচিত হয়েছেন। ​সম্মাননা প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় শীলা প্রাং কলেজের গভর্নিং বডি, অধ্যক্ষ,সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন,“এই অর্জনের পেছনে আমার শিক্ষার্থীদের অবদান সবচেয়ে বেশি। একজন শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখতে শেখানো,তাদের সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়তা করা এবং মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে পারাই আমার সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।” তিনি আরো বলেছেন, শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পাওয়া এই সম্মাননা তাঁকে ভবিষ্যতে আরো দায়িত্বশীল ও আন্তরিকভাবে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে। শিক্ষা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়,বরং একজন শিক্ষকের আন্তরিকতা, সহমর্মিতা ও স্নেহই শিক্ষার্থীর জীবনে দীর্ঘস্থায়ী ইতিবাচক প্রভাব ফেলে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।

জনপ্রিয়

নওগাঁয় মাদক’বিরোধী অভি’যানে গাঁ’জার গাছসহ এক ব্যক্তি গ্রেফ’তার

শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি, সম্মাননা পেলেন সহকারী অধ্যাপক শীলা প্রাং

প্রকাশের সময় : ০৯:৩০:৫১ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩১ মে ২০২৬

মোঃ মোসলেম উদ্দিন সিরাজী  সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ উপজেলার চৌবাড়ী ড. সালাম জাহানারা ডিগ্রি কলেজের মনোবিজ্ঞান বিভাগের সহকারী অধ্যাপক শীলা প্রাং শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মকাণ্ড,শিক্ষা উন্নয়ন এবং সৃজনশীল অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্রে ভূষিত হয়েছেন। সম্প্রতি কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের আয়োজনে অনুষ্ঠিত প্রথম পুনর্মিলনী-২০২৬ অনুষ্ঠানে তাঁকে এই সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে কলেজের গভর্নিং বডির সভাপতি ও সাবেক অধ্যক্ষ বীর মুক্তিযোদ্ধা মোঃ আব্দুল আজিজ সরকার এবং অধ্যক্ষ মোঃ জোনায়েদ হোসেন তাঁর হাতে সম্মাননা স্মারক ও সনদপত্র তুলে দিয়েছেন। এই সময়ে উপস্থিত ছিলেন কলেজের প্রতিষ্ঠাতা পরিবারের সদস্য ও গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি ফিরোজ মিয়া, দাতা সদস্য গোলাম আযম চৌধুরী (দীপু), গভর্নিং বডির অন্যান্য সদস্য,শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং বিপুল সংখ্যক প্রাক্তন শিক্ষার্থী। ​শীলা প্রাং দীর্ঘদিন ধরে শ্রেণিকক্ষে পাঠদানের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন জাতীয় দিবস উদযাপন,সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড, সহশিক্ষা কার্যক্রম এবং সৃজনশীল চর্চায় সম্পৃক্ত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছেন। তাঁর নেতৃত্বে শিক্ষার্থীরা উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে বিভিন্ন প্রতিযোগিতা ও কার্যক্রমে সাফল্য অর্জন করেছে। শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য তিনি টানা চার বছর ২০২২, ২০২৩,২০২৪ ও ২০২৫ সালে উপজেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক নির্বাচিত হয়েছেন। এছাড়া ২০২৩ সালে সিরাজগঞ্জ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ শিক্ষক সম্মাননা লাভ করেছেন। নারী শিক্ষা ও কর্মক্ষেত্রে সাফল্যের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি উপজেলা ও জেলা পর্যায়ে ‘শ্রেষ্ঠ জয়িতা’ সম্মাননা অর্জন করেছেন এবং ২০২২ সালে বিভাগীয় পর্যায়ে রানার-আপ জয়িতা নির্বাচিত হয়েছেন। ​সম্মাননা প্রাপ্তির প্রতিক্রিয়ায় শীলা প্রাং কলেজের গভর্নিং বডি, অধ্যক্ষ,সহকর্মী ও শিক্ষার্থীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেছেন,“এই অর্জনের পেছনে আমার শিক্ষার্থীদের অবদান সবচেয়ে বেশি। একজন শিক্ষক হিসেবে শিক্ষার্থীদের স্বপ্ন দেখতে শেখানো,তাদের সৃজনশীলতা বিকাশে সহায়তা করা এবং মানবিক মূল্যবোধে গড়ে তুলতে পারাই আমার সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।” তিনি আরো বলেছেন, শিক্ষার্থীবান্ধব কর্মকাণ্ডের স্বীকৃতি হিসেবে পাওয়া এই সম্মাননা তাঁকে ভবিষ্যতে আরো দায়িত্বশীল ও আন্তরিকভাবে কাজ করতে অনুপ্রাণিত করবে। শিক্ষা শুধু পাঠ্যবইয়ের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়,বরং একজন শিক্ষকের আন্তরিকতা, সহমর্মিতা ও স্নেহই শিক্ষার্থীর জীবনে দীর্ঘস্থায়ী ইতিবাচক প্রভাব ফেলে বলে তিনি মন্তব্য করেছেন।