
নিজস্ব প্রতিবেদক ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সীমান্তঘেঁষা কসবা উপজেলায় মাদক নিয়ন্ত্রণে এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন উপ-পরিদর্শক (এসআই) ফারুক হোসেন। তার আপোষহীন সততা, অকুতোভয় সাহস এবং দূরদর্শী পদক্ষেপের ফলে এলাকায় মাদক ব্যবসা ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে উল্লেখযোগ্য স্থবিরতা নেমে এসেছে। অল্প সময়ের মধ্যেই তিনি স্থানীয় জনমনে আস্থার প্রতীক এবং অপরাধীদের কাছে এক ‘আতঙ্ক’ হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছেন।
অপরাধ দমনে কঠোর অবস্থান
সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় কসবায় মাদকের অনুপ্রবেশ রোধ করা বরাবরই একটি চ্যালেঞ্জ। তবে এসআই ফারুক হোসেনের যোগদানের পর থেকে পরিস্থিতির আমূল পরিবর্তন শুরু হয়েছে। নিয়মিত অভিযান, তথ্যপ্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার এবং কঠোর নজরদারির মাধ্যমে তিনি একের পর এক মাদকের বড় চালান জব্দ করতে সক্ষম হয়েছেন। তার এমন অনড় অবস্থানের কারণে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে মাদক সিন্ডিকেটগুলো।
স্থানীয়দের প্রশংসা
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, এসআই ফারুক হোসেন কেবল একজন পুলিশ কর্মকর্তাই নন, বরং একজন জনবান্ধব সেবক। তার কর্মতৎপরতায় এলাকায় শান্তিশৃঙ্খলা ফিরে এসেছে। সাধারণ মানুষ এখন নির্ভয়ে তথ্য নিয়ে তার কাছে আসছেন। স্থানীয়রা জানান, “ফারুক হোসেনের মতো সৎ ও সাহসী কর্মকর্তা প্রতিটি থানায় থাকলে সমাজ থেকে মাদক নির্মূল করা সময়ের ব্যাপার মাত্র।”
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গর্ব
শুধু সাধারণ মানুষই নন, পুলিশের ঊর্ধ্বতন মহলেও প্রশংসিত হচ্ছেন ফারুক হোসেন। তার কাজের প্রতি একনিষ্ঠতা এবং মাদক নির্মূলে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি বাহিনীর ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে। তার নেতৃত্বে পরিচালিত প্রতিটি অভিযানেই পেশাদারিত্বের ছাপ লক্ষ্য করা গেছে।
চ্যানেল এইচডি ২৪-এর সাথে আলাপকালে সংশ্লিষ্টরা জানান, মাদকের অভিশাপ থেকে তরুণ প্রজন্মকে বাঁচাতে এসআই ফারুক হোসেনের এই লড়াই কসবা থানায় এক নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে। অপরাধমুক্ত কসবা গড়তে তার এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে বলেই প্রত্যাশা সবার,গোলাম কিবরিয়া চ্যানেল এইচডি 24 কুমিল্লা,





















