০৭:৫৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬

মসজিদের পবিত্রতা ও ইবাদতের পরিবেশ রক্ষা আমাদের ঈমানি দায়িত্ব

  • প্রকাশের সময় : ০৬:০৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬
  • 49

​নিজস্ব প্রতিবেদক  সম্প্রতি বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয় ও মসজিদের সন্নিকটে মেলা বা উৎসবের মতো কোলাহলপূর্ণ আয়োজনের চিত্র দেখা যাচ্ছে। যা নিয়ে সাধারণ মুসল্লি ও ধর্মপ্রাণ মানুষের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ। ইসলামের দৃষ্টিতে মসজিদের ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা করা এবং মুসল্লিদের প্রশান্ত মনে ইবাদত করার সুযোগ করে দেওয়া একটি অপরিহার্য কর্তব্য।
​মসজিদের সম্মান রক্ষায় ইসলামের নির্দেশনা
​ইসলামে মসজিদের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চে। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে:
​”নিশ্চয়ই মসজিদসমূহ আল্লাহর জন্য। সুতরাং তোমরা আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে ডেকো না।” (সূরা জিন: ১৮)
​রাসূলুল্লাহ (সা.) মসজিদের ভেতর উচ্চবাচ্য করা বা অপ্রয়োজনীয় শোরগোল করতে নিষেধ করেছেন। সেখানে বিনোদনের নামে বাদ্যযন্ত্র বা উচ্চশব্দে উৎসব করা মসজিদের পবিত্রতাকে ক্ষুণ্ণ করে এবং মুসল্লিদের একাগ্রতায় ব্যাঘাত ঘটায়।
​সামাজিক সচেতনতা ও নৈতিক দায়িত্ব
​বিনোদনের প্রয়োজন থাকলেও তার জন্য উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করা জরুরি। মসজিদের একদম প্রবেশদ্বারে বা সংলগ্ন এলাকায় মেলা বা উৎসবের আয়োজন করলে কয়েকটি সমস্যা দেখা দেয়:
​ইবাদতে বিঘ্ন: উচ্চশব্দে মুসল্লিদের নামাজের মনোযোগ নষ্ট হয়।
​আচরণের বিচ্যুতি: ধর্মীয় স্থানে উৎসবের আমেজে অনেক সময় বেপর্দা বা অশোভন আচরণ পরিলক্ষিত হয়, যা মসজিদের পরিবেশের সাথে সাংঘর্ষিক।
​যাতায়াতে বাধা: মেলা বা ভিড়ের কারণে মুসল্লিদের মসজিদে যাতায়াত করতে কষ্ট হয়।
​আমাদের করণীয়
​১. কর্তৃপক্ষের সচেতনতা: মেলা বা উৎসবের অনুমতি দেওয়ার সময় স্থানীয় প্রশাসন ও আয়োজকদের লক্ষ্য রাখতে হবে যেন তা কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের গাম্ভীর্য নষ্ট না করে।
২. দূরত্ব বজায় রাখা: বিনোদনমূলক আয়োজন মসজিদের সীমানা থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে হওয়া উচিত।
৩. জনসচেতনতা: সাধারণ মানুষকে মসজিদের আদব ও সম্মান সম্পর্কে সচেতন করা।

জনপ্রিয়

সিংড়ায় পুকুরে ডুবে দুই ভাইয়ের মর্মান্তিক মৃত্যু

মসজিদের পবিত্রতা ও ইবাদতের পরিবেশ রক্ষা আমাদের ঈমানি দায়িত্ব

প্রকাশের সময় : ০৬:০৩:১৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

​নিজস্ব প্রতিবেদক  সম্প্রতি বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয় ও মসজিদের সন্নিকটে মেলা বা উৎসবের মতো কোলাহলপূর্ণ আয়োজনের চিত্র দেখা যাচ্ছে। যা নিয়ে সাধারণ মুসল্লি ও ধর্মপ্রাণ মানুষের মাঝে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র ক্ষোভ। ইসলামের দৃষ্টিতে মসজিদের ভাবগাম্ভীর্য রক্ষা করা এবং মুসল্লিদের প্রশান্ত মনে ইবাদত করার সুযোগ করে দেওয়া একটি অপরিহার্য কর্তব্য।
​মসজিদের সম্মান রক্ষায় ইসলামের নির্দেশনা
​ইসলামে মসজিদের মর্যাদা অত্যন্ত উচ্চে। পবিত্র কুরআনে ইরশাদ হয়েছে:
​”নিশ্চয়ই মসজিদসমূহ আল্লাহর জন্য। সুতরাং তোমরা আল্লাহর সাথে অন্য কাউকে ডেকো না।” (সূরা জিন: ১৮)
​রাসূলুল্লাহ (সা.) মসজিদের ভেতর উচ্চবাচ্য করা বা অপ্রয়োজনীয় শোরগোল করতে নিষেধ করেছেন। সেখানে বিনোদনের নামে বাদ্যযন্ত্র বা উচ্চশব্দে উৎসব করা মসজিদের পবিত্রতাকে ক্ষুণ্ণ করে এবং মুসল্লিদের একাগ্রতায় ব্যাঘাত ঘটায়।
​সামাজিক সচেতনতা ও নৈতিক দায়িত্ব
​বিনোদনের প্রয়োজন থাকলেও তার জন্য উপযুক্ত স্থান নির্বাচন করা জরুরি। মসজিদের একদম প্রবেশদ্বারে বা সংলগ্ন এলাকায় মেলা বা উৎসবের আয়োজন করলে কয়েকটি সমস্যা দেখা দেয়:
​ইবাদতে বিঘ্ন: উচ্চশব্দে মুসল্লিদের নামাজের মনোযোগ নষ্ট হয়।
​আচরণের বিচ্যুতি: ধর্মীয় স্থানে উৎসবের আমেজে অনেক সময় বেপর্দা বা অশোভন আচরণ পরিলক্ষিত হয়, যা মসজিদের পরিবেশের সাথে সাংঘর্ষিক।
​যাতায়াতে বাধা: মেলা বা ভিড়ের কারণে মুসল্লিদের মসজিদে যাতায়াত করতে কষ্ট হয়।
​আমাদের করণীয়
​১. কর্তৃপক্ষের সচেতনতা: মেলা বা উৎসবের অনুমতি দেওয়ার সময় স্থানীয় প্রশাসন ও আয়োজকদের লক্ষ্য রাখতে হবে যেন তা কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের গাম্ভীর্য নষ্ট না করে।
২. দূরত্ব বজায় রাখা: বিনোদনমূলক আয়োজন মসজিদের সীমানা থেকে নির্দিষ্ট দূরত্বে হওয়া উচিত।
৩. জনসচেতনতা: সাধারণ মানুষকে মসজিদের আদব ও সম্মান সম্পর্কে সচেতন করা।