০৮:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০২ জুন ২০২৬

যশোরের শার্শায় তেল সংকট: শার্শা ও বেনাপোলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না জ্বালানি

  • প্রকাশের সময় : ১১:৩৮:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬
  • 149

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি:-  যশোরের শার্শা উপজেলায় বেনাপোল বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। প্রচণ্ড দাবদাহ ও রোদের মধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও কাঙ্ক্ষিত তেল পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। একই সময়ে প্রভাবশালী মহল ‘ভিআইপি’ সুবিধায় সহজেই তেল নিয়ে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।যশোর এলাকার ইভেন্ট

আজ ​বুধবার (১ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা যায়, ফিলিং স্টেশনগুলোতে শত শত যানবাহনের দীর্ঘ সারি। ট্রাক, ট্রাক্টর ও ব্যক্তিগত গাড়ির পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকরা। প্রচণ্ড গরমে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে গিয়ে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

এক ভুক্তভোগী মোটরসাইকেল চালক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা ৪ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে আছি, কিন্তু তেল পাচ্ছি না। অথচ কিছু লোক এসে প্রভাব খাটিয়ে আগে তেল নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের কষ্টের শেষ নেই।

অভিযোগ উঠেছে, সাধারণ মানুষ সিরিয়াল মেনে দাঁড়িয়ে থাকলেও কিছু অসাধু ব্যক্তি ও প্রভাবশালী মহল কোনো নিয়ম না মেনেই তেল সংগ্রহ করছে। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, সেখানে উপস্থিত দায়িত্বরত পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ মানুষ।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পুলিশ সাধারণ মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখলেও পরিচিত বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তেল নেওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করছে। এই ‘স্বজনপ্রীতি’র কারণে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষ এখন অসহায় বোধ করছেন।

​ফিলিং স্টেশন চত্বরে তৈরি হওয়া এই বিশৃঙ্খলা নিরসনে পাম্প কর্তৃপক্ষের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি।

সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগী চালকদের দাবি:​ অবিলম্বে তেলের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে হবে।​লাইন বজায় রাখার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনতে হবে।পুলিশ ও প্রশাসনের কঠোর নজরদারি বাড়াতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার না হয়।

​স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত এই অব্যবস্থাপনা বন্ধ না হলে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বড় ধরনের উত্তোজনার সৃষ্টি করতে পারে। তাই জনভোগান্তি লাঘবে দ্রুত স্থানীয় প্রশাসন ও পাম্প কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ জরুরি।

শার্শা থানার অফিসার্স ইনচার্জ(ওসি) মারুফ হোসেন জানান, ফিলিং ষ্টেশনের নিরাপত্তা দিতে নিয়োগকৃত পুলিশ অফিসারদের কঠোর নির্দেশ দেওয়া আছে তেল নেওয়ার ক্ষেত্রে কোন স্বজনপ্রীতি হবেনা।সে যেই হোক তাকে জনগণের কাতারে থেকে তেল নিতে হবে।তবে কেউ স্বজনপ্রীতি করছে কিনা ক্ষতিয়ে দেখবেন বলে তিনি জানান।#

জনপ্রিয়

নওগাঁয় মাদক’বিরোধী অভি’যানে গাঁ’জার গাছসহ এক ব্যক্তি গ্রেফ’তার

যশোরের শার্শায় তেল সংকট: শার্শা ও বেনাপোলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও মিলছে না জ্বালানি

প্রকাশের সময় : ১১:৩৮:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ এপ্রিল ২০২৬

মনির হোসেন, বেনাপোল প্রতিনিধি:-  যশোরের শার্শা উপজেলায় বেনাপোল বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে জ্বালানি তেলের তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। প্রচণ্ড দাবদাহ ও রোদের মধ্যে ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও কাঙ্ক্ষিত তেল পাচ্ছেন না সাধারণ মানুষ। একই সময়ে প্রভাবশালী মহল ‘ভিআইপি’ সুবিধায় সহজেই তেল নিয়ে চলে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।যশোর এলাকার ইভেন্ট

আজ ​বুধবার (১ এপ্রিল) সরেজমিনে দেখা যায়, ফিলিং স্টেশনগুলোতে শত শত যানবাহনের দীর্ঘ সারি। ট্রাক, ট্রাক্টর ও ব্যক্তিগত গাড়ির পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়েছেন মোটরসাইকেল চালকরা। প্রচণ্ড গরমে দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থাকতে গিয়ে অনেকেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

এক ভুক্তভোগী মোটরসাইকেল চালক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, আমরা ৪ ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়ে আছি, কিন্তু তেল পাচ্ছি না। অথচ কিছু লোক এসে প্রভাব খাটিয়ে আগে তেল নিয়ে যাচ্ছে। আমাদের কষ্টের শেষ নেই।

অভিযোগ উঠেছে, সাধারণ মানুষ সিরিয়াল মেনে দাঁড়িয়ে থাকলেও কিছু অসাধু ব্যক্তি ও প্রভাবশালী মহল কোনো নিয়ম না মেনেই তেল সংগ্রহ করছে। সবচেয়ে দুঃখজনক বিষয় হলো, সেখানে উপস্থিত দায়িত্বরত পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সাধারণ মানুষ।

প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি, পুলিশ সাধারণ মানুষকে লাইনে দাঁড় করিয়ে রাখলেও পরিচিত বা প্রভাবশালী ব্যক্তিদের তেল নেওয়ার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করছে। এই ‘স্বজনপ্রীতি’র কারণে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা সাধারণ মানুষ এখন অসহায় বোধ করছেন।

​ফিলিং স্টেশন চত্বরে তৈরি হওয়া এই বিশৃঙ্খলা নিরসনে পাম্প কর্তৃপক্ষের কোনো কার্যকর পদক্ষেপ লক্ষ্য করা যায়নি।

সাধারণ মানুষ ও ভুক্তভোগী চালকদের দাবি:​ অবিলম্বে তেলের সুষম বণ্টন নিশ্চিত করতে হবে।​লাইন বজায় রাখার ক্ষেত্রে স্বচ্ছতা আনতে হবে।পুলিশ ও প্রশাসনের কঠোর নজরদারি বাড়াতে হবে যাতে সাধারণ মানুষ হয়রানির শিকার না হয়।

​স্থানীয় সচেতন মহল মনে করছেন, দ্রুত এই অব্যবস্থাপনা বন্ধ না হলে সাধারণ মানুষের ক্ষোভ বড় ধরনের উত্তোজনার সৃষ্টি করতে পারে। তাই জনভোগান্তি লাঘবে দ্রুত স্থানীয় প্রশাসন ও পাম্প কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ জরুরি।

শার্শা থানার অফিসার্স ইনচার্জ(ওসি) মারুফ হোসেন জানান, ফিলিং ষ্টেশনের নিরাপত্তা দিতে নিয়োগকৃত পুলিশ অফিসারদের কঠোর নির্দেশ দেওয়া আছে তেল নেওয়ার ক্ষেত্রে কোন স্বজনপ্রীতি হবেনা।সে যেই হোক তাকে জনগণের কাতারে থেকে তেল নিতে হবে।তবে কেউ স্বজনপ্রীতি করছে কিনা ক্ষতিয়ে দেখবেন বলে তিনি জানান।#