০৩:০৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে কসবায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা বৃদ্ধি

  • প্রকাশের সময় : ০৯:৪৯:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • 146

আসন্ন কসবা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মোঃ আলমগীর কবির হোসেন ইতিমধ্যে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাঁর পাশাপাশি আরও কয়েকজন সম্ভাব্য প্রার্থী মাঠে নামার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
মোঃ আলমগীর কবির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি সাবেক কসবা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও তৃণমূল পর্যায়ের সম্পৃক্ততাকে কাজে লাগিয়ে তিনি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নিতে চান।
তিনি জানান, কসবা একটি সীমান্তবর্তী উপজেলা হওয়ায় এখানে মাদক ও চোরাচালান একটি বড় সমস্যা। নির্বাচিত হলে তিনি এসব অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে চান। পাশাপাশি সুশিক্ষা বিস্তার, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং একটি আদর্শ ও উন্নত কসবা গড়ে তোলাই তাঁর মূল লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন।
এদিকে নির্বাচন ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতায় কসবাজুড়ে রাজনৈতিক পরিবেশ ক্রমেই সরগরম হয়ে উঠছে। স্থানীয় ভোটারদের মাঝেও চলছে নানা আলোচনা ও মূল্যায়ন।

জনপ্রিয়

রাঙ্গামাটি কর্ণফুলী নদী থেকে নিখোঁ’জ নারীর মর’দেহ উ’দ্ধার

উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে কসবায় সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতা বৃদ্ধি

প্রকাশের সময় : ০৯:৪৯:৫০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

আসন্ন কসবা উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। সম্ভাব্য ভাইস চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে মোঃ আলমগীর কবির হোসেন ইতিমধ্যে প্রার্থী হওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। তাঁর পাশাপাশি আরও কয়েকজন সম্ভাব্য প্রার্থী মাঠে নামার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।
মোঃ আলমগীর কবির হোসেন দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-এর রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত রয়েছেন। তিনি সাবেক কসবা পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও তৃণমূল পর্যায়ের সম্পৃক্ততাকে কাজে লাগিয়ে তিনি উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনে অংশ নিতে চান।
তিনি জানান, কসবা একটি সীমান্তবর্তী উপজেলা হওয়ায় এখানে মাদক ও চোরাচালান একটি বড় সমস্যা। নির্বাচিত হলে তিনি এসব অপরাধ দমনে কার্যকর ভূমিকা রাখতে চান। পাশাপাশি সুশিক্ষা বিস্তার, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং একটি আদর্শ ও উন্নত কসবা গড়ে তোলাই তাঁর মূল লক্ষ্য বলে উল্লেখ করেন।
এদিকে নির্বাচন ঘিরে সম্ভাব্য প্রার্থীদের তৎপরতায় কসবাজুড়ে রাজনৈতিক পরিবেশ ক্রমেই সরগরম হয়ে উঠছে। স্থানীয় ভোটারদের মাঝেও চলছে নানা আলোচনা ও মূল্যায়ন।