১১:৩৬ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

প্রায় (৫০)পঞ্চাশ কোটির ও বেশি টাকার সম্পদের মালিক প্রশাসনের ধরাছোঁয়ার বাইরে, আবুল কালাম আজাদ

  • প্রকাশের সময় : ০৫:০১:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬
  • 22

গোলাম কিবরিয়া বিশেষ প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রাম জেলার ৭ নং মোগলবাসা ইউনিয়নের সেনেরখামার ওয়াডের বাসিন্দা মোঃ আবুল কালাম আজাদ পিতা মৃত নুরুজ্জামান, তিনি পারিবারিক তন্ত্রে একজন ফ্যাসিস আওয়ামীলীগ পরিবার, তিনি পঞ্চগড় তেতুলিয়া সহ বিভিন্ন জেলায় ভুমি সেটেলমেন্ট অফিসে সাবেক সহকারী /উচ্চমান সহকারী (পেশকার) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিল, তাহাকে সবাই আওয়ামিলীগের নেতা বলেই অফিসে ডাকতো, অফিসের সবাই তাকে ভয় করে, কেউ তার উপরে কথা বললে তাকে বদলী করতো অন্য জেলায়, তার অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলার মতো কেউ ছিল না, কারন তখন তিনি আওয়ামিলীগের নেতা ছিলেন , তার সাথে সবসময় তার সন্ত্রাসী বাহিনীরাই ছদ্রছায়ায় থাকতো, তার হুকুম পালন করার জন্য, তিনি চাকরিতে থাকা কালীন সময়ে সাধারন মানুষের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে রেকড সংশোধন করেছেন ও গরিব অসহাদের ঘর বাড়ি অন্যায় ভাবে কেড়ে নিয়েছেন বলে জানা যায়, পরবর্তী তার বিষয়ে চিরুনী নিউজ সংগ্রহে মাধ্যমে জানা যায় যে, তার চাকরির জিবনের ইতি টানেন পঞ্চগড় তেতুলিয়া থেকেই অবসরে যান তিনি, কিন্তু তার কুকর্মের অবসর দিতে পারে নাই সাবেক পেশকার আবুল কালাম আজাদ, একভুক্তভোগী পঞ্চগড় তেঁতুলিয়া থেকে একটু দুরে পঞ্চগড় ভোদা থানা ময়দানের মাঠের এলাকার বসবাস কালীন সময়ে শফিকুল ইসলাম (৩৪) পিতা মৃত বাবর উদ্দিন ২ নং ওয়াডের বসবাস করেন বলে জানা গেছে, সে আমাদেরকে জানান যে, তাহার দাদার ক্রয়কৃত (৫৫) শতক জমি দলিল দখল ও পয়ত্তীক শুত্রে তার বাবার সেই জমির মালিক কিন্তু তার বাবা মারা গেলে, আইন অনুযায়ী সেই জমির মালিক শফিকুল ইসলাম হবে, তবে তার চাচার সাথে তাহার জমি জমা নিয়ে সমস্যা হলে সে সাহায্যের জন্য তেতুলিয়ার পেশকার মোঃ আবুল কালাম আজাদের কাছে সনাপ্ন হয়েছিলেন এবং বিষটি খুলে বলেন তাকে ও তার বাবার জমি উদ্ধার করার জন্য তাহার সাহায্য প্রাথনা করে, তিনি তার সরলতার সুযোগ নিয়ে তার কাছে ছয় শতক জমি ও একলক্ষ টাকা দাবী করেন সে তাহাকে দিতে রাজি না হলে , পেশকার আবুল কালাম আজাদ তার বাবার নামের দলিল ও রেকর্ড থাকা সত্তে ও মোটা অংকের টাকা খেয়ে, তার বাবার পয়ত্তিক সম্পতি তার চাচার নামে নতুন রেকর্ড করে দেন, তাহার বিরুদ্ধে গত ১৬/০১/২৬ ইং তারিখে তেতুলিয়ার সাবেক পেশকার আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে দৈনিক কুমিল্লা প্রতিদিন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়, ও দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালায় সেগুন বাগিচায় তাহার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়,কিন্তু কি কারনে তার বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহন করতেছে না, এটাই ভুক্তভুগীদের প্রশ্ন, তিনি একজন সাধারন পেশকার হয়ে প্রায় (৫০)পঞ্চাশ কোটির টাকার সম্পদের মালিক হলেন কিভাবে, এসব অসহায় ভুক্তভুগী গরিব অসহায় অবহেলিত অসহায়দের টাকা, আর সেই টাকা দিয়ে সাবেক পেশকার আবুল কালাম আজাদ তিনি তার গ্রামের বাড়িতে প্রায় (১) এক একর সম্পতি ক্রয় করেন ও রংপুরে দুইটি বিলাস বহুল আলোচিত ফেলাট বাসা ক্রয় করেন তাহার দর প্রায় পঞ্চাশ কোটির টাকার সম্পদের ও বেশি, তিনি একজন সাধারন পেশকার হয়ে এতো সম্পদের মালিক কিভাবে হন,

তাই, দুদকের কাছে আবেদন দ্রুত তাহার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে গোপনে বা সরাসরি তদন্ত কমিটি গঠন করে সঠিক তদন্ত করে তাকে আইনের আওতায় আনার আহবান জানান বলে পত্রিকার কাছে ভুক্তভোগী দাবী প্রকাশ করেন , ভুক্তভোগী আরো জানান দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে আশাবাদী তিনি, তিনি আরো বলেন, সবার উপরেই আইনের শাসন, তাহার উপরে আর কিছুই নাই,

জনপ্রিয়

মান্দায় স্টার্টআপ, বিজ্ঞান প্রকল্প ও উদ্ভাবনী ভাবনা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত তরুণদের উদ্ভাবনী চিন্তায় মুখর ছিল মান্দা উপজেলা পরিষদ হলরুম

প্রায় (৫০)পঞ্চাশ কোটির ও বেশি টাকার সম্পদের মালিক প্রশাসনের ধরাছোঁয়ার বাইরে, আবুল কালাম আজাদ

প্রকাশের সময় : ০৫:০১:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১২ জুন ২০২৬

গোলাম কিবরিয়া বিশেষ প্রতিনিধিঃ কুড়িগ্রাম জেলার ৭ নং মোগলবাসা ইউনিয়নের সেনেরখামার ওয়াডের বাসিন্দা মোঃ আবুল কালাম আজাদ পিতা মৃত নুরুজ্জামান, তিনি পারিবারিক তন্ত্রে একজন ফ্যাসিস আওয়ামীলীগ পরিবার, তিনি পঞ্চগড় তেতুলিয়া সহ বিভিন্ন জেলায় ভুমি সেটেলমেন্ট অফিসে সাবেক সহকারী /উচ্চমান সহকারী (পেশকার) হিসাবে দায়িত্ব পালন করেছিল, তাহাকে সবাই আওয়ামিলীগের নেতা বলেই অফিসে ডাকতো, অফিসের সবাই তাকে ভয় করে, কেউ তার উপরে কথা বললে তাকে বদলী করতো অন্য জেলায়, তার অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলার মতো কেউ ছিল না, কারন তখন তিনি আওয়ামিলীগের নেতা ছিলেন , তার সাথে সবসময় তার সন্ত্রাসী বাহিনীরাই ছদ্রছায়ায় থাকতো, তার হুকুম পালন করার জন্য, তিনি চাকরিতে থাকা কালীন সময়ে সাধারন মানুষের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা নিয়ে রেকড সংশোধন করেছেন ও গরিব অসহাদের ঘর বাড়ি অন্যায় ভাবে কেড়ে নিয়েছেন বলে জানা যায়, পরবর্তী তার বিষয়ে চিরুনী নিউজ সংগ্রহে মাধ্যমে জানা যায় যে, তার চাকরির জিবনের ইতি টানেন পঞ্চগড় তেতুলিয়া থেকেই অবসরে যান তিনি, কিন্তু তার কুকর্মের অবসর দিতে পারে নাই সাবেক পেশকার আবুল কালাম আজাদ, একভুক্তভোগী পঞ্চগড় তেঁতুলিয়া থেকে একটু দুরে পঞ্চগড় ভোদা থানা ময়দানের মাঠের এলাকার বসবাস কালীন সময়ে শফিকুল ইসলাম (৩৪) পিতা মৃত বাবর উদ্দিন ২ নং ওয়াডের বসবাস করেন বলে জানা গেছে, সে আমাদেরকে জানান যে, তাহার দাদার ক্রয়কৃত (৫৫) শতক জমি দলিল দখল ও পয়ত্তীক শুত্রে তার বাবার সেই জমির মালিক কিন্তু তার বাবা মারা গেলে, আইন অনুযায়ী সেই জমির মালিক শফিকুল ইসলাম হবে, তবে তার চাচার সাথে তাহার জমি জমা নিয়ে সমস্যা হলে সে সাহায্যের জন্য তেতুলিয়ার পেশকার মোঃ আবুল কালাম আজাদের কাছে সনাপ্ন হয়েছিলেন এবং বিষটি খুলে বলেন তাকে ও তার বাবার জমি উদ্ধার করার জন্য তাহার সাহায্য প্রাথনা করে, তিনি তার সরলতার সুযোগ নিয়ে তার কাছে ছয় শতক জমি ও একলক্ষ টাকা দাবী করেন সে তাহাকে দিতে রাজি না হলে , পেশকার আবুল কালাম আজাদ তার বাবার নামের দলিল ও রেকর্ড থাকা সত্তে ও মোটা অংকের টাকা খেয়ে, তার বাবার পয়ত্তিক সম্পতি তার চাচার নামে নতুন রেকর্ড করে দেন, তাহার বিরুদ্ধে গত ১৬/০১/২৬ ইং তারিখে তেতুলিয়ার সাবেক পেশকার আবুল কালাম আজাদের বিরুদ্ধে দৈনিক কুমিল্লা প্রতিদিন পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশ করা হয়, ও দুর্নীতি দমন কমিশন প্রধান কার্যালায় সেগুন বাগিচায় তাহার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়,কিন্তু কি কারনে তার বিরুদ্ধে প্রশাসন ব্যবস্থা গ্রহন করতেছে না, এটাই ভুক্তভুগীদের প্রশ্ন, তিনি একজন সাধারন পেশকার হয়ে প্রায় (৫০)পঞ্চাশ কোটির টাকার সম্পদের মালিক হলেন কিভাবে, এসব অসহায় ভুক্তভুগী গরিব অসহায় অবহেলিত অসহায়দের টাকা, আর সেই টাকা দিয়ে সাবেক পেশকার আবুল কালাম আজাদ তিনি তার গ্রামের বাড়িতে প্রায় (১) এক একর সম্পতি ক্রয় করেন ও রংপুরে দুইটি বিলাস বহুল আলোচিত ফেলাট বাসা ক্রয় করেন তাহার দর প্রায় পঞ্চাশ কোটির টাকার সম্পদের ও বেশি, তিনি একজন সাধারন পেশকার হয়ে এতো সম্পদের মালিক কিভাবে হন,

তাই, দুদকের কাছে আবেদন দ্রুত তাহার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়ে গোপনে বা সরাসরি তদন্ত কমিটি গঠন করে সঠিক তদন্ত করে তাকে আইনের আওতায় আনার আহবান জানান বলে পত্রিকার কাছে ভুক্তভোগী দাবী প্রকাশ করেন , ভুক্তভোগী আরো জানান দুর্নীতি দমন কমিশন দুদক দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহন করবেন বলে আশাবাদী তিনি, তিনি আরো বলেন, সবার উপরেই আইনের শাসন, তাহার উপরে আর কিছুই নাই,