০২:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

বুড়িচংয়ে বাস–প্রাইভেটকার সংঘর্ষে নিহত ৫, আশঙ্কাজনক ৩

  • প্রকাশের সময় : ১১:৩০:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬
  • 66

বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:  ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক এর কুমিল্লার কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় বাস ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ৩ জন, যাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় কালাকচুয়া এলাকায় মিয়ামি হোটেলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্টারলাইন পরিবহন এর একটি দ্রুতগামী বাস একটি প্রাইভেটকারকে সজোরে ধাক্কা দিলে গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। প্রাইভেটকারটিতে চালকসহ মোট ৬ জন ছিলেন।

দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকারের চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় অন্য যাত্রীদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হলে আরও চারজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

নিহতরা হলেন—আব্দুল মমিন (৫০), ঝর্না বেগম (৪০), সাইফ (৭) ও লাবিবা (১৮)। তারা সবাই একই পরিবারের সদস্য এবং নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার চাতারপাইয়া গ্রামের বাসিন্দা।

ময়নামতি ক্রসিং হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মমিন জানান, দুর্ঘটনায় প্রাইভেটকারে থাকা এক শিশুসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রাইভেটকারের যাত্রীরা মিয়ামি হোটেলে খাবার শেষে মহাসড়কে উঠছিলেন। এ সময় ঢাকা থেকে নোয়াখালীগামী বাসটি এসে প্রাইভেটকারটিকে চাপা দেয়। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।

জনপ্রিয়

কসবায় বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণের অভিযোগে এক স্কুল শিক্ষককে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বুড়িচংয়ে বাস–প্রাইভেটকার সংঘর্ষে নিহত ৫, আশঙ্কাজনক ৩

প্রকাশের সময় : ১১:৩০:০৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ ২০২৬

বুড়িচং (কুমিল্লা) প্রতিনিধি:  ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক এর কুমিল্লার কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার কালাকচুয়া এলাকায় বাস ও প্রাইভেটকারের মুখোমুখি সংঘর্ষে ৫ জন নিহত হয়েছেন। গুরুতর আহত হয়েছেন আরও ৩ জন, যাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানিয়েছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) সন্ধ্যায় কালাকচুয়া এলাকায় মিয়ামি হোটেলের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, স্টারলাইন পরিবহন এর একটি দ্রুতগামী বাস একটি প্রাইভেটকারকে সজোরে ধাক্কা দিলে গাড়িটি দুমড়ে-মুচড়ে যায়। প্রাইভেটকারটিতে চালকসহ মোট ৬ জন ছিলেন।

দুর্ঘটনায় ঘটনাস্থলেই প্রাইভেটকারের চালক জামাল হোসেন (৫২) নিহত হন। গুরুতর আহত অবস্থায় অন্য যাত্রীদের উদ্ধার করে বিভিন্ন হাসপাতালে নেওয়া হলে আরও চারজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

নিহতরা হলেন—আব্দুল মমিন (৫০), ঝর্না বেগম (৪০), সাইফ (৭) ও লাবিবা (১৮)। তারা সবাই একই পরিবারের সদস্য এবং নোয়াখালী জেলার সোনাইমুড়ী উপজেলার চাতারপাইয়া গ্রামের বাসিন্দা।

ময়নামতি ক্রসিং হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আব্দুল মমিন জানান, দুর্ঘটনায় প্রাইভেটকারে থাকা এক শিশুসহ তিনজন গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের ক্যান্টনমেন্ট জেনারেল হাসপাতাল ও কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এ ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয়দের ভাষ্য, প্রাইভেটকারের যাত্রীরা মিয়ামি হোটেলে খাবার শেষে মহাসড়কে উঠছিলেন। এ সময় ঢাকা থেকে নোয়াখালীগামী বাসটি এসে প্রাইভেটকারটিকে চাপা দেয়। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কে কিছু সময় যান চলাচল ব্যাহত হলেও পরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হয়।